
বিএনপিকে যারা ভোট দিয়েছে এবং দেয়নি সবাই নিরাপদে থাকবে: নয়ন

ওসি মারুফ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
খুলনায় পৃথক তিনটি স্থানে যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীকে গুলি করার ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এসব ঘটনায় থানায় কোনো মামলাও হয়নি। এর মধ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলায় দুটি গুলির ঘটনার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
গুলিবিদ্ধ তিনজনের মধ্যে দুজনের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সাবেক ছাত্রদল নেতা সোহেল শেখের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে। একই হাসপাতালে অস্ত্রোপচার শেষে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন সাবেক যুবদল নেতা অহিদুল ইসলাম বাদল। অন্যদিকে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সালমান হাওলাদারের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার দুটি এলাকা এবং মহানগরীর সদর থানার নিরালা আবাসিক এলাকায় এসব গুলির ঘটনা ঘটে। তিনটি ঘটনাতেই অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ অহিদুল ইসলাম বাদল বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। সোহেল শেখ আমিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। আর সালমান হাওলাদার জাপান টোব্যাকো কোম্পানির কর্মী।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বটিয়াঘাটায় পরপর দুটি গুলির ঘটনার পর বুধবার ওসি মারুফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। গত ৫ জুন তিনি ওই থানায় যোগ দিয়েছিলেন। তার স্থলে পাইকগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমানকে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবারই তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বটিয়াঘাটা থানায় নতুন ওসি পদায়ন করা হয়েছে। মাদক ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে দুজনকে গুলি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি।