
বেঙ্গালুরুর পাঁচ তারকা হোটেলের সুইমিং পুলে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল দুই বিদেশির

নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা। ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নতুন পার্লামেন্ট নেসেটের স্পিকার আমির ওহানাকে সরানোর পরিকল্পনা করছে। আগামী মাসে নতুন নেসেটের সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই এ উদ্যোগ নেয়া হতে পারে বলে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইসরাইলের নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশের পরও অনিশ্চিত সরকার গঠন। ১২০ আসনের নেসেটে কোনো পক্ষই পায়নি প্রয়োজনীয় ৬১ আসন। এ অবস্থায় নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে সরকার গঠনে দফায় দফায় বৈঠক করছেন বিরোধী নেতারা।
টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘চেঞ্জ ব্লক’ যার মধ্যে ইয়াশার, বি’ইয়াচাদ, দ্য ডেমোক্র্যাটস ও ইসরাইল বেইতেনু এবং আরব নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম দলগুলোর সম্মিলিতভাবে ১২০ আসনের নেসেটে ৬৭টি আসন রয়েছে। ফলে ওহানাকে স্পিকারের পদ থেকে সরানোর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের হাতে রয়েছে।
ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর রাজনৈতিক বিশ্লেষক বারাক সেরি জানান, ওহানাকে সরানোর বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে নতুন স্পিকার হিসেবে কাকে বসানো হবে সে বিষয়ে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদকে নতুন স্পিকার করার কথা বিবেচনা করছে বিরোধী দলগুলো।
শুক্রবার সন্ধ্যায় চ্যানেল ১২-তে সেরির সঙ্গে আলাপকালে দ্য ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ইয়ার গোলান বলেন, ২৬তম নেসেটের সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর ‘প্রথম কাজই হবে’ নতুন স্পিকার নিয়োগ দেয়া। এরপর পার্লামেন্টের বিভিন্ন কমিটির প্রধান নিয়োগ এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার তদন্তে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের নতুন পার্লামেন্ট শুরু হবে আগামী ১০ নভেম্বর। সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চললেও নির্ধারিত সেই দিনই নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিতে হবে। নতুন স্পিকার নিয়োগের ভোট নতুন নেসেটের শপথ গ্রহণের দিনই হতে পারে।
এদিকে ইসরাইলের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ ও জালিয়াতির অভিযোগ নিয়েও বিতর্ক চলছে। তবে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। বিদেশি হস্তক্ষেপের তদন্ত এখনও চলমান।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল