
উত্তরখান থেকে পিস্তল-গুলিসহ ‘কিলার শিবুলু’ গ্রেফতার

শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
মজুরি বাড়ানোর দাবিতে যারা অস্থিরতা সৃষ্টি করছে তারা কেউ প্রকৃত শ্রমিক নয়; একটি রাজনৈতিক মহল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে, এমন মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) পোশাকশিল্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা জানান শ্রমমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নেবে বিকেএমইএ-বিজিএমইএ।
অন্যদিকে, মজুরি বোর্ড গঠনে বিলম্বের পেছনে শ্রমিক প্রতিনিধিরাই দায়ী বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
প্রসঙ্গত, শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৩ বছর করা হয়েছে। সে হিসাবে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হওয়া সবশেষ সাড়ে ১২ হাজার টাকার মজুরি কাঠামোটি সংশোধন করতে হবে এ বছরেই। পহেলা নভেম্বর গঠন করা হবে মজুরি বোর্ড।
সবশেষ সংশোধনে মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছিল ৫৬.২৫ শতাংশ। এবার ন্যূনতম মজুরির দাবি উঠেছে ৩২ হাজার টাকা।
এমন বাস্তবতায়, শুক্রবার শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে শনিবার শ্রম ভবনে মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী।