
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হলেন কেইশা ল্যান্স বটমস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:৫১

ডেট্রয়েটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী রাতের এক সমাবেশে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের পর মঞ্চে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন মার্কিন সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ এবং তার স্ত্রী সারাহ জুকাকু। ছবি: রয়টার্স
মিশিগানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ।
মিশরীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন চিকিৎসক ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা নির্বাচনি প্রচারের পুরো সময়জুড়ে ধারাবাহিক ইসলামবিদ্বেষী আক্রমণের মুখেও জয় পেয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বারবার এল-সায়েদকে লক্ষ্য করে বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি তাকে ‘জিহাদি’ বলেও আখ্যায়িত করেছেন।
মিশিগানে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনিই হবেন একমাত্র সিনেটর, যাকে সিনেটে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার আগে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।’
নিজ দলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছে সায়েদকে। গত আগস্টে মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর পদপ্রার্থীদের প্রাথমিক নির্বাচনে তার কাছে পরাজিত হওয়া হ্যালি স্টিভেনস দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর, এর আগে দেওয়া বক্তব্যে আবদুল এল-সাইয়েদ বলেন, ‘আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব নিজেদের ত্রুটিগুলো উপেক্ষা করার মধ্যে নয়, বরং সেগুলো সংশোধন করার সাহসের মধ্যেই নিহিত।’
বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক যুদ্ধের বিরোধিতা করে তিনি আরও বলেন, ‘কর পরিশোধ করা এবং সেই অর্থ অন্য কারও ও তার সন্তানদের ওপর বোমা ফেলার পরিবর্তে নিজের ও নিজের সন্তানদের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে – এটি নিশ্চিত হওয়া এত কঠিন হওয়া উচিত নয়।’
সূত্র: আল জাজিরা