
ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে পাকিস্তান সরকার, অভিযোগ ছেলে সুলাইমানের

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। কাতারের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছানো ওই প্রস্তাবে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব ছিল। তবে ইরান প্রস্তাবটি নাকচ করে বলেছে, এটা কোনো শান্তি প্রস্তাব নয়, বরং একগুচ্ছ অগ্রহণযোগ্য শর্ত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ওই কর্মকর্তা বলেন, কাতার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের কাছে নতুন কোনো শান্তি প্রস্তাব দেয়নি। বরং কিছু ধারণা তুলে ধরেছে, যেগুলোকে তেহরান অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।
এর আগে আলোচনার বিষয়ে অবহিত এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা গত রোববার তেহরানের কাছে একটি খসড়া শান্তিচুক্তি উপস্থাপন করেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আগাম অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার শর্ত ছিল বলে জানা গেছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়।
ইরানের ওই কর্মকর্তা বলেন, কাতারের পক্ষ থেকে তুলে ধরা বিষয়গুলোকে প্রস্তাব বলা যায় না। এগুলো ‘অগ্রহণযোগ্য ধারণা, কোনো প্রস্তাব নয়’। তিনি আরও জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে নমনীয়তা না দেখানোর অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়। চলমান সংঘাতের কারণে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখেছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাত দিনের মধ্যে প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি থাকলেও ইরান তা গ্রহণ করেনি। ফলে নৌপথটি ঘিরে উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগ এখনো অনিশ্চিত।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। সম্ভাব্য এই অভিযান কয়েক দিন ধরে চলতে পারে। পাশাপাশি ইরানের পাল্টা হামলায় জ্বালানি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও করছে আঞ্চলিক দেশগুলো।