
ইরানে নতুন হামলার আশঙ্কার মধ্যে পেন্টাগনের শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাকারী বরখাস্ত
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৭

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সংগৃহীত ফাইল ছবি
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ওহাইও অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এ দাবি করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের কাছে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তবে আগের চেয়ে সংখ্যায় ‘অনেক কম’। তিনি দাবি করেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ইরানের ড্রোন নির্মাতারা উৎপাদন চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টর দাবি, তিনি ক্ষমতায় আসার অনেক আগেই এই সংঘাতের অবসান হওয়া উচিত ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ওই সময় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
আলোচনা চলার সময় এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এর আগে গত বছরও আলোচনার মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছিল তারা।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পেছনে ট্রাম্পের যুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। জর্জিয়ার আটলান্টায় এক নির্বাচনী সমাবেশে ওবামা বলেন, তেহরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল না।
তিনি উল্লেখ করেন, তার প্রশাসন ২০১৫ সালে তেহরানের সঙ্গে যে চুক্তি করেছিল, সেটি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছিল।
ওাবামা বলেন, ‘আমাকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে হয়নি। আমি কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছিলাম।’
এই যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘এই যুদ্ধে কারণে আমাদের মিত্ররা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো হামলার শিকার হয়েছে। আমেরিকানরা প্রাণ হারিয়েছেন। শত শত আমেরিকান আহত হয়েছেন। আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে গেছে, এটি আমাদের আরও অরক্ষিত করে তুলেছে; আর এখন হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের ভেটো দেয়ার মতো ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এ কারণেই বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়ে গেছে।’
সূত্র: আল জাজিরা