
সিলেটে বেতন আটকে রাখার অভিযোগে শেভরন কার্যালয়ে কর্মীদের অবস্থান
মাহফুজ মামুন
প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বড়পুটিমারি গ্রামের ব্রিজটি আড়াই বছরেও দৃশ্যমান হয়নি। ছবি: সময় সংবাদ
দুই বছরে ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় আড়াই বছরেও দৃশ্যমান হয়নি। কয়েক দিন কাজ করেই গা ঢাকা দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ সময়েও এই ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কাজ শেষ করে চলাচলের উপযোগী করা হোক ব্রিজটি।
সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বড়পুটিমারি গ্রামের ব্রিজটি প্রায় ৬ বছর আগে ফাটল ধরে ও ভেঙে পড়ায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়। ব্রিজটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৬ মাস সময় বৃদ্ধি করলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। বাকি এক মাসেও কাজ শেষ করা সম্ভব নয়।
সূত্রটি আরও জানায়, উইকেয়ার প্রকল্পের আওতায় বড়পুটিমারি গ্রামে প্রায় তিন কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যর পিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ হওয়ার কথা রয়েছে। যশোরের মইনুদ্দিন বাঁশি নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করছে। মাসের পর মাস কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গা ঢাকা দেয়ায় দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ ও রডে মরিচা ধরেছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ব্রিজ দিয়ে ২০ গ্রামের ২২ হাজারের বেশি মানুষের চলাচল ছিল এক সময়। ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন চলাচল করতো। কৃষিপণ্য আনা-নেয়া, শিক্ষার্থীদের চলাচল ও অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতের জন্য চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গায় আসা-যাওয়া করতে হলে ৮-১০ কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরতে হয় এখন। মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজের তাগিদে ভাঙা ব্রিজ দিয়ে জরুরি সময় চলাচল করে। ব্রিজ ব্যবহারের উপযোগী হলে এলাকার মানুষের আর্থ সামাজিক ও জীবনমান বদলে যাবে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী মেজবাহুর রহমান জানান, নির্ধারিত সময়ে ব্রিজের কাজ শেষ না হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তাগাদা দিচ্ছি। নির্মাণ কাজ শেষ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।