
মেয়ের খাবার কিনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা

ক্লিনিক ভাঙচুর করা হচ্ছে। ছবি সংগৃহীত
খুলনা নগরীর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে নগরীর খানজাহান আলী রোডের পিটিআই মোড় এলাকায় নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানের মালিক মাসুম বিল্লাহর দাবি, টাকা না পেয়ে এ হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত পাঁচজনকে শনাক্ত করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক মাসুম বিল্লাহ জানান, প্রায় এক মাস আগে অ্যাপোলো হাসপাতালের ইনচার্জ সাগরকে ফোন করে টাকা দাবি করে দুর্বৃত্তরা। এরপর শনিবার সকালে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে তাকেও ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পরই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রতিষ্ঠানটির ক্যাশ কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা রোজী জানান, ৪ থেকে ৫ জন দুর্বৃত্ত বাইরের কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তার সামনেই ক্যাশ কাউন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়। এ সময় অন্য কর্মীরা তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল উঁচিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। ভাঙচুর শেষে চলে যাওয়ার সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায় তারা।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত পাঁচজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা প্রতিষ্ঠানের বাইরের কাচের দরজা কুপিয়ে ও ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন গত সপ্তাহে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কী কারণে এ হামলা চালানো হয়েছে, তা তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ অক্টোবর রাতে নগরীর বাবু খান রোডে সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এরপর ২৮ অক্টোবর আহসান আহমেদ রোডের চাইনিজ প্যালেস রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া ৩ নভেম্বর শান্তিধাম মোড়ে ইউনাইটেড ডেন্টাল স্ক্যানের সামনে দুটি চকলেট বোমা এবং ৫ নভেম্বর গভীর রাতে ইসলামপুর রোডে একটি স্থানীয় পত্রিকা অফিসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।