
শনিবার কেমন কাটবে ১২ রাশির, জেনে নিন রাশিফলে
প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:১২

ক্যানসার প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত
ক্যানসার প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পানীয় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে কোনো পানীয়ই ক্যানসার সারাতে পারে না বা ক্যানসারের চিকিৎসার বিকল্প নয়।
১. গ্রিন টি
গ্রিন টিতে রয়েছে ক্যাটেচিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যার মধ্যে EGCG উল্লেখযোগ্য। গবেষণাগারে এসব উপাদানের সম্ভাব্য ক্যানসারবিরোধী প্রভাব দেখা গেছে। তবে মানুষের ক্ষেত্রে গ্রিন টি পান করলে ক্যানসার প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় নিপাশ্চিত উপকার হয়—এমন শক্ত প্রমাণ এখনো নেই।
২. টমেটোর জুস
টমেটোতে রয়েছে লাইকোপিন, যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে টমেটোর জুস সরাসরি ক্যানসার প্রতিরোধ করে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ নেই। বাড়তি লবণ ও চিনি ছাড়া তৈরি জুস বেছে নেওয়া ভালো।
৩. ডাবের পানি
ডাবের পানি শরীরে তরলের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে এবং এতে পটাশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান রয়েছে। ক্যানসারের চিকিৎসার সময় বমি বা ডায়রিয়ার কারণে পানিশূন্যতা দেখা দিলে তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে ডাবের পানি ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। কিডনির সমস্যা থাকলে বা রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পান করা উচিত।
মনে রাখতে হবে-
- গ্রিন টি, টমেটোর জুস ও ডাবের পানি সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে; এগুলো ক্যানসারের ওষুধ নয়।
- ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তির পানীয় ও খাবারের চাহিদা চিকিৎসার ধরন এবং শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপ্লিমেন্ট বা হারবাল নির্যাস গ্রহণ করবেন না। কিছু উপাদান ক্যানসারের ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে।
তথ্যসূত্র: ক্যানসার রিসার্চ ইউকে, ন্যাশনাল ক্যানসার ইনিস্টিটিউট