
জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৩২

ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনের দিন, ২৭ অক্টোবর বিকেলে বিয়ের অনুষ্ঠানের আগে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোট দেন এক দম্পতি। ছবি: রয়টার্স
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শিবির কিংবা তার বিরোধীরা কেউই সরকার গঠনের জন্য স্থিতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে না পারায়, ২০১৯ সালের পর এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ইসরাইলিরা।
আল জাজিরার তথ্য অনুসারে, ইসরাইলের কোনো রাজনৈতিক দলই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন কখনো পায়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জোট সরকার গঠন করতে না পারলে দেশটিতে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৯ সালে আভিগদর লিবারম্যান নেতানিয়াহুর সরকারে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান। অতি-গোঁড়া ইহুদি তরুণদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগের একটি বিল অপরিবর্তিতভাবে পাস না হলে তিনি জোটে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন। এর ফলে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে দ্বিতীয় নির্বাচনেও রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটেনি।
২০২০ সালে তৃতীয় দফার নির্বাচনের পর নেতানিয়াহু ও গান্তজের নেতৃত্বে একটি জাতীয় ঐক্য সরকার গঠিত হয়। তবে বাজেট পাস করতে ব্যর্থ হওয়ায় ওই বছরের ডিসেম্বরেই সরকারটির পতন ঘটে।
২০২১ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের নেতৃত্বে আট দলের একটি জোট সরকার গঠিত হয়। নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটানোই ছিল জোটটির প্রধান ঐক্যের ভিত্তি। ওই জোট নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সক্ষম হয়। তবে জোটের কয়েকজন সদস্য সরে যাওয়ায় সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে, এক বছর পর পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে আবারও ক্ষমতায় ফেরেন নেতানিয়াহু। এরপর তিনি পূর্ণ মেয়াদে সরকার পরিচালনা করেন।
ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো দলই কখনও এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে সবসময়ই জোট সরকার গঠিত হয়েছে। এবারও সম্ভবত তার ব্যাতিক্রম হচ্ছে না।
বিবিসি জানায়, ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনা শেষে দেখা যাচ্ছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা তার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট কোনোটিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের কোটা পূরণ করতে পারার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা