
ইরানের অস্ত্র পরিবহন ঠেকাতে টাস্কফোর্স গঠন যুক্তরাষ্ট্রের
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২০:৪১

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে অসংখ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে আইআরজিসি। ছবি: রয়টার্স/ফাইল ছবি
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ক্ষেত্রে স্বঘোষিত সীমা তুলে দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কয়েক দিন আগে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে ‘যেকোনো ধরনের ও মাত্রার হুমকির’ জবাব দেওয়া হবে ভৌগোলিক কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই।
তারই ধারাবাহিকতায় এবার আইআরজিসির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা এলো। এতে ধারণা করা হচ্ছে, নতুন করে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যে আরও দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করতে পারে দেশটি।
তেহরানের সারচেশমে সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে আইআরজিসির মহাকাশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসি মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের জন্য ওই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে।’
তবে দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি। শুধু বলেছেন, বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে ইরান ‘বাস্তবে এসব সক্ষমতা দেখাবে’।
দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের রয়েছে বলে জানা যায়নি। তবে এই পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গ্রিস ও বলকান অঞ্চলের কিছু অংশ, পুরো আরব উপদ্বীপ, লেভান্ত অঞ্চল এবং মিসরের অধিকাংশ এলাকায় আঘাত হানা সম্ভব।
অবশ্য মার্কিন কর্মকর্তারা এরই মধ্যে বলেছেন, ইরানের মহাকাশ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে।
এদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির পূর্ব দিকে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নৌমাইনের আঘাতে আগুন ধরে গেছে। ট্যাংকারটির জাতীয়তা বা গন্তব্য সম্পর্কে কিছু জানায়নি তারা। তবে জানিয়েছে, জাহাজটি তার নেভিগেশন সংকেত বন্ধ করে নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল করছিল।