
আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও দাম নির্ধারণ
প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:২৬

রুই ও কাতলার দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা কমেছে। ছবি: সময় সংবাদ
নেত্রকোনায় বাজারে বেড়েছে দেশীয় মাছের সরবরাহ। তবে সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম। হাওর, নদী ও বিলের মাছের চড়া দামে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ফলে মধ্যবিত্তের ভরসা এখন চাষের মাছ।
রোববার (৮ নভেম্বর) শহরের জয়ের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের সরবরাহ বাড়লেও হাওর, নদী ও বিলের মাছের দাম এখনও চড়া। বড় আকারের বোয়াল মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি দামে। দেশীয় প্রজাতির বিলের চাপিলা মাছের কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। আর বিলুপ্তির পথে থাকা কাকিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০ টাকায়।
অন্যদিকে, মলা ও ঢেলা মাছ প্রতিদিন বাজারে পাওয়া যায় না। এসব মাছ কেজিপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য ছোট স্বাদু পানির মাছের দামও ৩০০ টাকার বেশি।
প্রায় হারিয়ে যেতে বসা বিলের চিতল মাছ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে কেজিপ্রতি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, তুলনামূলকভাবে প্রায় সব ধরনের দেশীয় মাছের দামই বেশি। পরিচিত কিছু মাছের দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও ছোট মাছের চাহিদা বেশি হওয়ায় সেগুলোর দামও চড়া।
তবে চাষের মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজারে রুই ও কাতলা মাছ অন্যদিনের তুলনায় কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। সিলভার কার্প, গ্লাস কার্প ও পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।
বিক্রেতারা জানান, চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও বেড়েছে। বিশেষ করে এ বাজার থেকে পাইকাররা মাছ কিনে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যান। এতে খুচরা ক্রেতাদের বেশি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে।