
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল জানা যাবে কখন?
প্রকাশ: রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:১২

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের জন্য প্রতিযোগিতায় নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন। প্রতীকী ছবি
বিজ্ঞানীরা তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনার সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করলেও, চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের জন্য প্রতিযোগিতায় নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন।
গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ চাঁদে একটি পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। অন্যদিকে, রাশিয়া চীনের সঙ্গে যৌথভাবে ২০৩৬ সালের মধ্যে একই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, চাঁদের গহ্বরের গভীরে আটকে থাকা জমাট বাঁধা পানি উত্তোলনের কাজে শক্তি জোগাতে এই চুল্লিগুলোর প্রয়োজন হবে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই পানি থেকে ভবিষ্যতে চাঁদে গড়ে তোলা ঘাঁটির জন্য খাবার পানি, বাতাস ও রকেটের জ্বালানি পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া, চাঁদের ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্যও এই চুল্লিগুলো ব্যবহৃত হবে।
কোন দেশ কী পরিকল্পনা করছে?
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে, নাসার ‘লুনার রিঅ্যাক্টর ১’ ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, যা কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই পাঁচ বছর পর্যন্ত নিজে থেকে চলার মতো যথেষ্ট শক্তি জোগাবে।
চুল্লিটি আকারে ছোট ও বহনযোগ্য করে তৈরি করা হচ্ছে। এর ওজন হবে ৬ হাজার কেজির কম। ৩ দশমিক ৭ মিটার লম্বা ও ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রশস্ত রকেটের একটি নির্দিষ্ট অংশে এটি বহন করা সম্ভব হবে।
অন্যদিকে, রাশিয়া তৈরি করছে ‘সেলেনা’ নামের একটি পারমাণবিক চুল্লি। এটি ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে এবং কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই প্রায় ১০ বছর চলবে। ২০৩৬ সালের দিকে এটি চীনের নেতৃত্বাধীন চন্দ্রঘাঁটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের উপযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সেলেনা চুল্লির ওজন হবে আনুমানিক ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কেজি। নাসার চুল্লির তুলনায় এটি অনেক হালকা হওয়ায়, চাঁদের পৃষ্ঠে তুলনামূলক সহজ ও নিরাপদে অবতরণ করানো সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে মহাকাশে পারমাণবিক চুল্লি পাঠানোর ঘটনা এবারই প্রথম নয়। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১৯৬০-এর দশকের শেষ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন পৃথিবীর কক্ষপথে ৩০টিরও বেশি পারমাণবিক ‘ফিশন চুল্লি’ পাঠিয়েছিল। গুপ্তচর উপগ্রহে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এসব চুল্লি ব্যবহার করা হতো।
প্রায় এক হাজার কেজি ওজনের এসব চুল্লি ইউরেনিয়াম পরমাণু বিভাজনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপ ব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করত। যদিও বর্তমানে সেগুলো আর কার্যকর নেই।
গত ৭০ বছরে মহাকাশে পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। তবে ১৯৬৫ সালে একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ ছাড়া এখন পর্যন্ত সফলভাবে কোনো পারমাণবিক চুল্লি মহাকাশে পাঠাতে পারেনি দেশটি।
ওই পরীক্ষায় পারমাণবিক শক্তি দিয়ে উপগ্রহ পরিচালনার সম্ভাবনা যাচাই করা হয়েছিল। শুরুতে পরীক্ষা সফল হলেও, উপগ্রহের একটি অ-পারমাণবিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাত্র ৪৩ দিনের মাথায় সেটি বন্ধ হয়ে যায়। উপগ্রহটির ধ্বংসাবশেষ এখনো মহাকাশে ভাসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আগের কয়েকটি মহাকাশ পারমাণবিক প্রকল্প বাজেটের অগ্রাধিকার পরিবর্তনের কারণে থমকে গিয়েছিল।
কীভাবে চাঁদে নেওয়া হবে পারমাণবিক চুল্লি?
প্রথমে বিজ্ঞানীদের পৃথিবীতে একটি চুল্লি (রিঅ্যাক্টর) তৈরি করতে হবে, যা পরবর্তীতে একটি রোবোটিক মহাকাশযানের মাধ্যমে চাঁদে নিয়ে যাওয়া হবে। এই মহাকাশযানটি রকেট ইঞ্জিন ব্যবহার করে অত্যন্ত ধীরগতিতে ও সাবধানে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া জানিয়েছে, তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি কমাতে চুল্লিগুলো চাঁদে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। চাঁদের পৃষ্ঠে যথাযথভাবে স্থাপন করার পরই সেগুলো চালু করা হবে।
একবার স্থাপন করা হলে চুল্লিগুলো বছরের পর বছর রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই চলার উপযোগী করে তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে চাঁদে খনিজ উত্তোলন, গবেষণা ও বসবাসের জন্য নির্মিত ঘাঁটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
চাঁদে কেন পারমাণবিক চুল্লি প্রয়োজন?
যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় ঘাঁটি নির্মাণ করতে চায়। ওই অঞ্চলে পানির বরফের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। চাঁদের এমন কিছু গহ্বর আছে, যেখানে লাখ লাখ বছর ধরে সূর্যের আলো পৌঁছায়নি। এসব স্থানে জমে থাকা বরফকে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
চাঁদের ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি, এই চুল্লিগুলো খনির কাজের জন্যও পর্যাপ্ত শক্তি জোগাবে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন চাঁদে জমে থাকা পানি আহরণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই পানি থেকে মুক্ত হওয়া উপাদানগুলো চাঁদের সেই ঘাঁটিগুলোতে জীবনধারণের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে মানুষ বসবাস করতে ও গবেষণা চালাতে পারবে।
প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কও চাঁদ থেকে অ্যালুমিনিয়াম, টাইটানিয়াম ও সিলিকনের মতো খনিজ উত্তোলনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা স্যাটেলাইট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়।
তবে চাঁদে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সীমিত হবে। কারণ চাঁদের কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রায় অর্ধেক সময় সূর্যের আলো থাকে না। ফলে প্রতি মাসে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সোলার প্যানেলগুলো অকার্যকর অবস্থায় থাকবে।
ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটির ‘নিউক্লিয়ার ফিউচারস ইনস্টিটিউট’ (এনএফআই)-এর পরিচালক সাইমন মিডলবার্গ আল জাজিরাকে বলেছেন, চাঁদে কোনো ঘাঁটি স্থাপনের জন্য যে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন, তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে সৌরশক্তি অত্যন্ত সীমিত। অন্যদিকে, ব্যাটারি বা ডিজেল ব্যবহার করাও অত্যন্ত ব্যয়বহুল, কারণ এসবের প্রতিটি জিনিসই পৃথিবী থেকে মহাকাশে পাঠাতে হবে। তার মতে, এ ক্ষেত্রে পারমাণবিক শক্তিই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প। তবে এটি দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হবে।
মিডলবার্গের ধারণা, চাঁদের বরফ উত্তোলন এবং ঘাঁটির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে একসঙ্গে তিন থেকে চারটি পারমাণবিক চুল্লির প্রয়োজন হতে পারে।
কেন এত তাড়াহুড়া?
চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের এই প্রতিযোগিতার পেছনে রয়েছে ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জারি করা এক নির্বাহী আদেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০৩০ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণের উপযোগী চন্দ্র পারমাণবিক চুল্লি তৈরির নির্দেশ দেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও একই ধরনের পরিকল্পনার কথা জানান।
চলতি বছরের আগস্টে মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি বলেন, চাঁদে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মিডলবার্গের মতে, ২০৩০ সালের সময়সীমা মূলত চুল্লি তৈরির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হবে সেটিকে নিরাপদে চাঁদে অবতরণ করানো এবং সেখানে কার্যকরভাবে স্থাপন করা। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পারমাণবিক প্রযুক্তি নয়, বরং উৎক্ষেপণের অনুমোদন, উপযুক্ত উৎক্ষেপণযানের প্রাপ্যতা এবং চাঁদের পৃষ্ঠে নিরাপদে অবতরণ ও চুল্লি স্থাপন নিশ্চিত করা।’
পৃথিবীর বাইরে ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রতিযোগিতার মধ্যে চাঁদেও এই প্রতিযোগিতা চলছে। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশে ‘অস্ত্র’ মোতায়েনের ঘোষণা দেয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অস্ত্র মহাকাশে থাকা মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হবে।
অস্ত্রগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত জানানো না হলেও, বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এগুলো সরাসরি হামলা চালানোর অস্ত্রের পরিবর্তে মহাকাশভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত করার প্রযুক্তি হতে পারে।
এ ঘোষণার পর মহাকাশকে সামরিক কাজে ব্যবহার এবং জিপিএস, যোগাযোগ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহকারী উপগ্রহকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয় নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কী ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে?
মিডলবার্গ আল জাজিরাকে বলেন, চুল্লিগুলো চালু করার সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তা শুনতে যতটা ভীতিজনক মনে হয়, বাস্তবে ততটা নাও হতে পারে। কারণ চুল্লিতে ব্যবহারের আগে ইউরেনিয়াম নিজে খুব একটা তেজস্ক্রিয় থাকে না। তবে চুল্লি চালু হয়ে গেলে পরিস্থিতি বদলে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, চালু অবস্থায় কোনো পারমাণবিক চুল্লি পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে ঝুঁকি অনেক বেশি হতে পারে।
১৯৭৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘কসমস-৯৫৪’ নামের একটি পারমাণবিক চুল্লিবাহী স্যাটেলাইট পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। এতে কানাডার উত্তরাঞ্চলের প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তেজস্ক্রিয় পদার্থ।
এ ঘটনায় অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় ধ্বংসাবশেষ ও অতি ক্ষুদ্র কণা অপসারণে ব্যয়বহুল সামরিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হয়েছিল।
মিডলবার্গের মতে, চাঁদে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে তেজস্ক্রিয় দূষণ তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ও সীমিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।
চাঁদের ‘মালিকানা’ কার?
আইনগতভাবে কোনো দেশই চাঁদের মালিক নয়। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি অনুযায়ী, কোনো রাষ্ট্র চাঁদ বা এর কোনো অংশের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারবে না। তবে কোনো দেশ মহাকাশে যে যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জাম পাঠাবে, সেগুলোর মালিকানা সেই দেশেরই থাকবে। এই চুক্তিতে মহাকাশে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই।
লুনার পলিসি প্ল্যাটফর্মের পরিচালক আন্তোনিনো সালমেরি আল জাজিরাকে বলেন, চুক্তির মূলনীতি মেনে চললে চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন আইনসম্মত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয় দূষণ এড়িয়ে চলা।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনাভিত্তিক প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী নরবার্ট শর্গহোফার বলেন, চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো ‘শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে খনিজ উত্তোলনের অধিকার রাখে’।
তবে যে দেশ প্রথমে চাঁদের গুরুত্বপূর্ণ পানির বরফের উৎসের কাছে পৌঁছাবে, তারা সেখানে একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভূখণ্ডের মালিকানা দাবি না করলেও কার্যত অন্য দেশগুলোর প্রবেশ সীমিত করতে পারে।
সালমেরির মতে, কোনো নিরাপত্তা অঞ্চল ঘোষণা করলেই সংশ্লিষ্ট দেশের ভূখণ্ডগত অধিকার তৈরি হয় না। কিন্তু সেখানে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করা হলে অন্য দেশগুলো তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকির কারণে ওই এলাকায় প্রবেশে অনীহা দেখাতে পারে।
গত মাসে প্রকাশিত লুনার পলিসি প্ল্যাটফর্মের এক প্রতিবেদনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তা হলো - চাঁদে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায়ভার কে নেবে?
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তুতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিদ্যমান আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ও আইনগত কাঠামো যথেষ্ট নয়। ফলে চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের আগে নিরাপত্তার পাশাপাশি আইনি দায়বদ্ধতার বিষয়টিও স্পষ্ট করা জরুরি।
সূত্র: আল জাজিরা