
মুক্তির আগেই ‘রামায়ণ’-এর আয় ১৭ কোটি

বাঁ থেকে ঐশ্বরিয়া, সালমান খান ও পরিচালক সঞ্জয়লীলা বানসালি। ফাইল ছবি
স্বামীর জন্য বিশেষ ব্রত ‘কারওয়া চৌথ’ উদ্যাপনের দিন বলিউড নির্মাতা সঞ্জয়লীলা বানসালির প্রযোজনা সংস্থা সামাজিক মাধ্যমে সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের একগুচ্ছ পুরনো ছবি পোস্ট করে। এরপর থেকেই নেটিজেনদের সমালোচনার ঝড়ে নির্মাতা ও তার প্রযোজনা সংস্থা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কারওয়া চৌথের দিন সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে এর ক্যাপশনে সঞ্জয়লীলা বানসালির প্রযোজনা সংস্থা লেখে,
কিছু ছবি, কিছু স্মৃতি আর ভালোবাসার এক সুন্দর কাহিনি! কারওয়া চৌথের শুভেচ্ছা।
সালমান-ঐশ্বরিয়ার ছবিগুলো ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া সঞ্জয় লীলা বানসালী পরিচালিত ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ সিনেমার। এ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘চাঁদ ছুপা বাদল মে’-এর দৃশ্যায়নে ছিল কারওয়া চৌথের মুহূর্ত। তাই পরিচালকের প্রযোজনা সংস্থা সিনেমা মুক্তির এত বছর পর ছবিগুলো প্রকাশ করে পুরনো স্মৃতিতে ফিরে যায়।
কিন্তু এরপরই নেটদুনিয়ায় শুরু হয় আলোচনা। ছবির সমালোচনা করে এক নেটিজেন লেখেন, ‘প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকাকে এক ফ্রেমে এনে এমন উৎসবের শুভেচ্ছা জানানো কেন?’
আরেকজন লেখেন, ‘এই ছবি দেখে ভাইজান খুশি হবেন না কি রেগে যাবেন, বুঝতে পারছেন না।’
এদিকে সালমন ও ঐশ্বরিয়ার অনুরাগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটার কি খুব দরকার ছিল? এতে দুই তারকাকেই অসম্মান করা হচ্ছে। ওরা নিশ্চিত অস্বস্তিতে পড়বেন।’ আরেক ভক্ত লেখেন,
এটা কী ধরনের মশকরা? এর মধ্যে কোনও মেধা নেই।
বলিউডে শোনা যায়, ১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’-এর শুটিং চলাকালীন সালমান ও ঐশ্বরিয়ার প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। বেশ কয়েক বছর সম্পর্কে থাকার পর ২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় দু’জনের।
এরপর ব্যক্তিজীবনে সালমান অবিবাহিত থাকলেও ২০০৭ সালে বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। বর্তমানে এ তারকা দম্পতির সংসারে আরাধ্য বচ্চন নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।