
বিডিআর বিদ্রোহে চাকরি হারিয়ে প্রবাসে, সৌদিতে খুন হয়ে কফিনে ফিরলেন খোরশেদ
মহিউদ্দিন মধু
প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৯

বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
ফিনল্যান্ডে নিখোঁজের ২৪ দিন পর বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশটির হ্যামেনলিন্না শহরে মহাসড়কের পাশে দুর্ঘটনাকবলিত একটি গাড়ির ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গাড়িটি কয়েক দিন ধরে সেখানে পড়ে থাকলেও দুর্ঘটনার বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন নাফিস। তাকে খুঁজে পেতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছিল ফিনল্যান্ডের পুলিশ।
সে সময় দেশটির সংবাদমাধ্যম এমটিভি উতিসেত ও টাম্পেরে টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫০ বছর বয়সী নাফিসকে সর্বশেষ ১২ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে টাম্পেরে শহরে দেখা গিয়েছিল।
বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নাফিস টাম্পেরে থেকে হেলসিঙ্কির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। হ্যামেনলিন্না এলাকা অতিক্রম করার পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা যায়। তবে এই যাত্রাপথের বিস্তারিত তথ্য পুলিশের প্রকাশিত বিবরণ থেকে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশের দেয়া বর্ণনা অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার সময় নাফিসের উচ্চতা ছিল প্রায় ১৫৬ সেন্টিমিটার। তার মাথায় চুল ছিল না এবং মুখে ছিল ঘন দাড়ি। ওই সময় তার পরনে ক্রিম বা হালকা বাদামি রঙের হুডি এবং পিঠে একটি কালো ব্যাকপ্যাক থাকতে পারে বলে জানিয়েছিল পুলিশ।
নাফিস কালো রঙের একটি অডি এ৭ (Audi A7) গাড়ি ব্যবহার করতেন বলে ধারণা করা হয়। গাড়িটির নিবন্ধন নম্বর ছিল EOH-738।
পুলিশ জানিয়েছিল, নিখোঁজ ব্যক্তি হেলসিঙ্কি ও হামে অঞ্চলে চলাচল করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তিনি ফিনল্যান্ডের যেকোনো স্থানে থাকতে পারেন বলেও আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সে সময় এ ঘটনায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে সন্দেহ করছিল না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে নাফিসের সন্ধান পেতে ফিনল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের পাশাপাশি দেশটির সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছিল পুলিশ। বিশেষ করে ট্যাক্সিচালক ও খাবার সরবরাহের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের চলাচলের সময় নাফিস কিংবা তার গাড়ি নজরে এলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছিল।
নাফিস ইস্কান্দার কিংবা তার গাড়ি সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশের 046 922 4651 নম্বরে ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানাতে বলা হয়েছিল। এছাড়া [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়।