
আইফোন ডুওতে ফাটল, সুযোগ বুঝে খোঁচা মেরে বিজ্ঞাপন স্যামসাংয়ের
প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৪

ফ্রি ফায়ার গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ সেরা দলের ট্রফি হাতে টাইটানস ই-স্পোর্টস। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
আলোঝলমলে মঞ্চ, প্রিয় গেমের চরিত্রদের বর্ণিল র্যাম্প শো আর দর্শকদের করতালি। এরপর একে একে মঞ্চে উঠে আসেন দেশের ই-স্পোর্টস অঙ্গনের চেনা মুখগুলো। উপলক্ষ– ফ্রি ফায়ার গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬। দেশের ই-স্পোর্টস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হলো এমন জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের, যেখানে এক ছাদের নিচে মিললেন দেশের শীর্ষ গেমার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও বিনোদনজগতের তারকারা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ঠিক ৫টায় মানিকগঞ্জের একটি রিসোর্টে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান। ফ্রি ফায়ারের জনপ্রিয় ক্যারেক্টারদের র্যাম্প শোর মধ্যদিয়ে পর্দা ওঠে মূল আয়োজনের।
এরপর স্বাগত পরিবেশনায় হিপহপ ড্যান্সে মেতে ওঠেন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা। নাচের পর মঞ্চে জাদু ছড়াতে হাজির হন জাদুকর ম্যাজিক রাজিক। তার সঞ্চালনায় এগোতে থাকে বছরের সেরাদের স্বীকৃতি দেয়ার পর্ব।
এবারের আসরে ফ্রি ফায়ারের সেরা স্নাইপারের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ‘কেএইচ ফ্লিকার’। সেরা রাশারের খেতাব পেয়েছেন ‘টিইসি ব্লেড’, সেরা ক্যাপ্টেন ‘এক্সটুএক্সট্রোভ’ এবং সেরা দল নির্বাচিত হয়েছে ‘টাইটানস ই-স্পোর্টস’। পাশাপাশি সেরা ধারাভাষ্যকার নির্বাচিত হয়েছেন ‘জয় ব্র’।
শুধু খেলোয়াড় বা গেমাররাই নন, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটররাও। পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন ইটজ কাব্য, ইলুওশন ওয়াইটি, রাদ ভাই ওয়াইটিসহ আরও অনেকে।
তবে পুরো আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-স্পোর্টস কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘মিস্টার ট্রিপল আর’। ইউটিউবে ৭০ লাখের বেশি সাবস্ক্রাইবার থাকা এই ক্রিয়েটরের আসল চেহারা বা পরিচয় নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল দীর্ঘদিনের। অনুষ্ঠানে শারীরিকভাবে উপস্থিত থেকে ‘ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার’-এর পুরস্কার জিতে নিলেও রহস্য ধরে রাখেন তিনি; প্রকাশ করেননি নিজের মুখ।
পুরস্কার বিতরণীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঞ্চে ওঠেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান। প্রায় আধা ঘণ্টার সংগীত পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শকদের গানে গানে মাতিয়ে রাখেন এই শিল্পী।
একদিকে সেরাদের স্বীকৃতি, অন্যদিকে নাচ, জাদু প্রদর্শন ও গান–সব মিলিয়ে ফ্রি ফায়ার গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ হয়ে উঠেছিল দেশের ই-স্পোর্টস কমিউনিটির জন্য এক ব্যতিক্রমী উৎসব। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের উদীয়মান গেমিং সংস্কৃতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।