
ইউনিয়ন কমিটি ও ইউপি প্রার্থী বাছাইয়ে এনসিপির একগুচ্ছ নির্দেশনা
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ও জামায়াতের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। ছবি: সংগৃহীত
ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াত নেতাদের বৈঠকের তথ্য-প্রমাণ থাকার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার অভিযোগ, ভারতের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত। তবে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দলটি বলছে, রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই এই অপপ্রচার।
১৬ সেপ্টেম্বর ভারতের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও এটিএম মাসুমের বৈঠকের দাবি করে, ২৬ অক্টোবর ফেসবুক পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, সিক্স সিজন হোটেল হয়ে বারিধারার একটি বাড়িতে যাওয়ার তথ্যসহ বৈঠক-সংশ্লিষ্ট প্রমাণ রয়েছে। বিদেশি গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াত নেতাদের বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। আলোচনার বিষয়বস্তু জাতির সামনে প্রকাশ না করলে, তথ্যগুলো ধাপে ধাপে উন্মোচন করার হুমকি দেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, আমি তো ১০ শতাংশ প্রকাশ করেছি। মিয়া গোলাম পরওয়ার এই বৈঠকের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে জাতির সামনে আলোচনা বিষয়গুলো প্রকাশ না করলে বাকি তথ্যগুলো জাতির স্বার্থে জাতির সামনে আমরা ধাপে ধাপে উন্মোচন করতে বাধ্য হবো। সেই ৯৬-এর মতো আবারও আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হবে কিনা।
রাশেদ আরও বলেন, জামায়াত মুখে একটা বলে আন্তরে আরেকটা লালন করে। মুখে সারাদিন ভারত বিরোধিতা। পিছনে চেষ্টা করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় ক্ষমতায় আসা যায় কিনা।
তবে অভিযোগকে সম্পূর্ণ অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে জামায়াত। দলটির মুখপাত্র অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ১৬ সেপ্টেম্বর মিয়া গোলাম পরওয়ার ও এটিএম মাসুম ঢাকার বাইরে ছিলেন। অভিযোগের প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত কূটনৈতিক পর্যায়ে বৈঠক করলে তা প্রকাশ্যেই করে। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেয়ারও হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
জুবায়ের বলেন, অসত্য, অন্যায় ও দায়িত্বহীন বক্তব্য রেখেছেন। তারা দুজনই তখন ঢাকার বাইরে ছিলেন। উনাকে এটা প্রমাণ করতে হবে। একটি অসত্য তথ্য দিয়ে উনি জামায়াতে ইসলামীর ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছেন। প্রয়োজনে আমরা ব্যবস্থা নেব, সমস্যা নেই।