
ইসরাইলে নির্বাচন: ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও নেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:০

হিমালয় সীমান্তে নতুন করে ভারত ও চীনের সেনাদের মুখোমুখি অবস্থানের খবর পাওয়া গেছে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের অরুণাচল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী বোসিরাম সিরাম গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেছেন, প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলায় চীনের সেনারা ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করেছে।
স্বাধীনভাবে যাচাই না করা এসব দাবি এক সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়, যেখানে সীমান্ত এলাকায় একটি উচ্চ-পর্যায়ের কংগ্রেস প্রতিনিধিদলের সফরের ফলাফল বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন বোসিরাম সিরাম।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সীমান্তবর্তী এলাকার প্রকৃত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কংগ্রেস নেতা বোসিরাম সিরামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ২৬ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সীমান্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছে। এই প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের কার্যকরী সভাপতি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টাঙ্গা বায়ালিং এবং আপার সুবানসিরির সাংসদ জারোদুম ক্রি।
রাজ্য কংগ্রেস প্রধান বলেন, ‘চীনা অনুপ্রবেশ এবং ভারত-চীন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় আমরা দেখেছি যে, পরিস্থিতিটি সতর্কতার সাথে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
ইটানগর থেকে নাচো হয়ে লাইমকিং ও টাকসিং পর্যন্ত ভ্রমণকালে প্রতিনিধিদলটি বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে। সিরামের মতে, চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র আগ্রাসী মনোভাব ও কার্যকলাপ স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এবং ঐতিহ্যবাহী জীবিকাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় বাসিন্দারা এখন আর সেই সব এলাকায় অবাধে যাতায়াত করতে পারছেন না, যেখানে তারা প্রথাগতভাবে ইয়াক পালন, খাদ্য সংগ্রহ ও শিকারের জন্য যেতেন। চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে।’
সিরাম দাবি করেছেন, সীমান্ত বরাবর একাধিক সংঘাতপূর্ণ স্থানে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যা নিয়মিত টহল এবং স্থানীয় চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, সেনাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি এবং লাঠিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যেখানে ভারতীয় বাহিনী সফলভাবে চীনা আগ্রাসন প্রতিহত করে বলে দাবি তার।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস