
বুধবার ১২ রাশির অর্থভাগ্যে কী আছে, জেনে নিন রাশিফলে
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:২৩

আজ ২৮ অক্টোবর বিশ্ব চকলেট দিবস। ছবি: সংগৃহীত
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। মন ভালো করা, প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া কিংবা উৎসবের আনন্দ বাড়ানো—বিভিন্ন উপলক্ষে চকলেটের কদর বিশ্বজুড়েই। মিষ্টি স্বাদের এই জনপ্রিয় খাবারের প্রতি ভালোবাসা উদযাপন করতে আজ ২৮ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব চকলেট দিবস।
চকলেটের রয়েছে নানা ধরন, স্বাদ ও ব্যবহার। দুধের মিষ্টি স্বাদযুক্ত চকলেট থেকে শুরু করে তেতো ডার্ক চকলেট কিংবা রান্নায় ব্যবহৃত চকলেট—প্রতিটিরই রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। চকলেটপ্রেমীদের কাছে দিনটি তাই পছন্দের স্বাদ উপভোগ করার পাশাপাশি প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ারও একটি উপলক্ষ।
চকলেট তৈরির ইতিহাস
চকলেটের মূল উপাদান আসে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ক্যাকাও গাছের বীজ থেকে। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে ক্যাকাও চাষের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০ সাল থেকেই ক্যাকাও বীজ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে চকলেট একটি জনপ্রিয় খাদ্যপণ্য। মিষ্টান্ন, কেক, বিস্কুট, পানীয়সহ নানা খাবার তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। চকলেটের স্বাদ ও গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে ক্যাকাওয়ের পরিমাণ, উপাদান এবং তৈরির প্রক্রিয়ার ওপর।
যেভাবে তৈরি হয় চকলেট
চকলেট তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় ক্যাকাও বীজ সংগ্রহের মধ্য দিয়ে। প্রথমে বীজ গাঁজন করা হয়, যাতে এর স্বাদ ও সুগন্ধ তৈরি হয়। এরপর বীজ শুকিয়ে পরিষ্কার করে ভাজা হয়। ভাজা বীজের খোসা ছাড়িয়ে পাওয়া যায় ক্যাকাও নিবস। এগুলো পেষাই করে তৈরি করা হয় ক্যাকাও মাস বা চকলেটের মূল উপাদান।
পরবর্তী ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি, দুধ, ক্যাকাও বাটারসহ বিভিন্ন উপাদান মেশানো হয়। এরপর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় মিশ্রণটি পরিশোধন ও ঠান্ডা করে তৈরি করা হয় নানা ধরনের চকলেট।
চকলেটের পাঁচ জনপ্রিয় ধরন
১. চিনি ছাড়া রান্নার চকলেট: এতে সাধারণত ক্যাকাওয়ের কঠিন অংশ ও ক্যাকাও বাটার থাকে। স্বাদ তীব্র ও তেতো হওয়ায় এটি কেক, বিস্কুট, ব্রাউনি এবং বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
২. ডার্ক চকলেট: এতে ক্যাকাওয়ের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে এবং সাধারণত দুধের পরিমাণ কম বা একেবারেই থাকে না। স্বাদে তিক্ততার পাশাপাশি ক্যাকাওয়ের নিজস্ব সুগন্ধ পাওয়া যায়।
৩. মিল্ক চকলেট: ক্যাকাও, চিনি ও দুধের সমন্বয়ে তৈরি এই চকলেট স্বাদে মিষ্টি ও ক্রিমি। শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়।
৪. হোয়াইট চকলেট: ক্যাকাওয়ের কঠিন অংশ না থাকলেও এতে ক্যাকাও বাটার, চিনি ও দুধ থাকে। এর রং সাদা বা হালকা ক্রিমের মতো এবং স্বাদ বেশ মিষ্টি।
৫. সেমি-সুইট বা বিটারসুইট চকলেট: এতে ক্যাকাওয়ের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি এবং চিনির পরিমাণ সাধারণত মিল্ক চকলেটের চেয়ে কম থাকে। কুকিজ, কেক ও বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরিতে এটি বহুল ব্যবহৃত।