
ইরানে ‘৯৬ ঘণ্টার মধ্যে’ বড় অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩১

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এপি
ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর সম্ভাবনা নাকচ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন সময় রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
হোয়াইট হাউস থেকে মিশিগানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় সাংবাদিকেরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, আজই ইরানে আবারও হামলা চালাতে পারে কি না যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কি আপনাদের সেটা বলব? উত্তর হলো—না, আজ কোনো হামলা হবে না।’ তবে ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে ট্রাম্প জানান, ইরানে আবারও হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কি কাজটা শেষ করা উচিত—যা করা খুব সহজ হবে, নাকি একটি সমঝোতায় পৌঁছানো উচিত?
ট্রাম্পের মন্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ ও কূটনৈতিক সমঝোতা, দুই পথই খোলা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভুল হিসাব-নিকাশেই যুদ্ধের জটিলতা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি জানান, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার দায়িত্ব এখন ওয়াশিংটনের। এরইমধ্যে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘লুকাস’ ধরনের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আর আগের মতো থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
তিনি বলেন, আমাদের মেনে নিতে হবে, এখন নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথ আর আগের মতো থাকবে না। হরমুজ প্রণালি পরিচালনার ব্যবস্থাও আগের মতো থাকবে না।
অন্যদিকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পরিদর্শন করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান। ওয়াশিংটনের দাবি, গ্রীষ্মকাল থেকে উপসাগরীয় অংশীদারদের ১৫০ কোটি ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল রফতানিতে সহায়তা করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে জলপথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান এখনো বিপরীতমুখী।