
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে পাকিস্তান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪৪

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও শিন বেতের সাবেক প্রধান রোনেন বার। ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের সাবেক প্রধান রোনেন বার।
এএফপির প্রতিবেদন মতে, জাতীয় নির্বাচন সামনে করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের আকস্মিক হামলার দায় নিয়ে ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি মিত্র দেশের নেতা ‘আগাম সতর্কতা দিয়েছিলেন’। কিন্তু নেতানিয়াহু সে অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করেননি—এমন খবর বারবার প্রকাশ্যে আসছে।
যদিও এ ধরনের প্রতিটি অভিযোগই উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। উল্টো তিনি দাবি করেছেন, হামলার দিন ভোরে শিন বেতের তৎকালীন প্রধান রোনেন বার অথবা সামরিক কর্মকর্তারা তাকে ফোন করে ঘুম থেকে জাগালে হামলাটি ঠেকাতে পারতেন তিনি।
নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন রোনেন বার। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩০ লাখ শেকেল (প্রায় ১২ কোটি টাকা) দাবি করেছেন তিনি। আদালতে জমা দেওয়া ১৩৪ পৃষ্ঠার নথিতে রোনেন বার নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ‘নিজেকে বাঁচাতে মিথ্যা বলার’ অভিযোগ এনেছেন।
হামাসের হামলার ঘটনায় তাকে অপরাধী হিসেবে তুলে ধরা এবং হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থতার জন্য তাকে অভিযুক্ত করা মানহানিকর বলেও উল্লেখ করেছেন রোনেন। মামলায় বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবরের ঘটনার জন্য নিজের দায় থেকে আলোচনা অন্যদিকে সরিয়ে নিতে নেতানিয়াহু এমন অভিযোগ করেছেন।
রোনেন বার দাবি করেন, নেতানিয়াহু নিজেও জানেন, এই অভিযোগ সত্য নয়। মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, বরং ওই ঘটনার জন্য নেতানিয়াহুর কয়েক বছরের অনুসৃত নীতিই দায়ী। ওই নীতির কারণে গাজায় তথাকথিত ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোর হুমকি বেড়েছে।
হামাসের হামলার প্রায় দুই বছর পর ২০২৫ সালের জুনে শিন বেতের প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান রোনেন বার। সংস্থার প্রধান হিসেবে নিজের দায় স্বীকার করতেই তিনি পদত্যাগ করেছিলেন বলে জানান। ৭ অক্টোবরের আগেই হামাস-সংশ্লিষ্ট সম্ভাব্য হুমকি সম্পর্কে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন বলেও দাবি করেন।