
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্মেলন শুরু ৮ নভেম্বর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:১৫

মোংলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে জব্দ করা চোরাই তেলবোঝাই ট্রলার ও লরি। ছবি: সংগৃহীত
মোংলা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় পাচারকালে বিপুল পরিমাণ চোরাই তেলবোঝাই একটি ট্রলার এবং দুটো লরি জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার (২ নভেম্বর) গভীর রাতে মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া এলাকার স্কুলের পেছনের খালে অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হলদিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের খালে একটি বোটে করে ৬৫ ব্যারেল মবিল সদৃশ চোরাই তেল পাচার করে আনা হয়। ট্রলারটি সেখানে নোঙর করে ব্যারেলগুলো তীরে নামাচ্ছিল। এসময় সহযোগিতায় থাকা অপর একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এর কিছুক্ষণ পরই তেল নেয়ার জন্য নির্ধারিত স্থানে ১০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পদ্মা অয়েলের দুটো বড় লরি কাজীর হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, লরি দুটোর মালিক চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. হারুন মিয়া।
ডিজেল পাম্পের মাধ্যমে ট্রলার থেকে পাইপ দিয়ে লরিতে অবৈধভাবে তেল বোঝাই করার সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পান। সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোস্ট গার্ড ও পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে যৌথ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তার আগেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা।
অভিযান শেষে চোরাই তেলবোঝাই ট্রলারটি সোমবার ভোররাতেই মোংলা ফেরিঘাটে এনে বেঁধে রাখা হয়। অন্যদিকে, তেল চুরির কাজে ব্যবহৃত লরি দুটো ঘটনাস্থলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান জানান, চোরাই তেল, লরি ও ট্রলার জব্দের ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এই সংঘবদ্ধ চক্রের নেপথ্যে প্রভাবশালী কোনো সিন্ডিকেট আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।