
রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’ প্রধান গ্রেফতার
প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪৬

প্রতীকী ছবি
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে তাহমিনা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার নতুন হাট এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, অন্তত এক থেকে দুই দিন আগে ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত তাহমিনা বেগম উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের মৃত কদম আলী হাওলাদারের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাস ধরে নতুন হাট এলাকার ওই ভাড়া বাসায় তাহমিনা বেগম একাই বসবাস করছিলেন।
বাড়ির মালিক আবদুর বারেক জানান, তাহমিনা বেগম প্রায়ই অসুস্থ থাকতেন। মাঝেমধ্যে বাইরে বের হয়ে বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘোরাফেরা করতেন। তবে গত দুই দিন তাকে বাইরে দেখা যায়নি। রোববার সকালে তার কক্ষ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তিনি বৃদ্ধার ভাইকে খবর দেন। তিনি এসে কক্ষের ভেতরে মরদেহ দেখতে পান।
স্থানীয় প্রতিবেশী শাহানা বেগম বলেন, তাহমিনা বেগমের মাথায় সমস্যা ছিল বলে স্থানীয়রা জানতেন। এর আগে কয়েকবার স্ট্রোক করেছিলেন বলেও শুনেছেন তারা। তার পা প্রায়ই ফুলে থাকত। এ ছাড়া হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতেন না। দিনের বেশির ভাগ সময় বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘোরাফেরা করতেন। গত শনিবার বিকেল থেকেই ওই বাসার আশপাশে দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল বলে জানান তিনি।
প্রতিবেশী আবদুর রহিম হাওলাদার জানান, রাতে তাহমিনা বেগমের ছেলে তার মায়ের মোবাইল নম্বরে ফোন করে যোগাযোগ করতে না পেরে ছোট মামার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তার মামাও বোনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। রোববার সকালে তার বড় ভাই ওই ভাড়া বাসায় আসেন। এ সময় দরজা কিছুটা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং তাহমিনা বেগমের মরদেহ দেখতে পান।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এক থেকে দুই দিন আগে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।