
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: এনবিআর-মন্ত্রণালয় কর্মীসহ গ্রেফতার ৭
প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৩

ভারত থেকে নতুন ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রথম চালানে ১৮টি বগি এসেছে।
বাংলাদেশের প্রবেশের পর দর্শনা কাস্টমসে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রেলকোচগুলো নেয়া হবে সৈয়দপুরের কারখানায়।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে বগিগুলো প্রবেশ করে।
১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাপরতলা এলাকা থেকে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচগুলো যাত্রা শুরু করে। এরপর কোচগুলো কলকাতার রানাঘাট স্টেশনে অবস্থান করে।
শুক্রবার দুপুরে রওনা দিয়ে ভারতের গেদে চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিকতা শেষে চুয়াডাঙ্গা দর্শনা জয়নগর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় কর্মকর্তারা বগিগুলো বুঝে নেন।
বগিগুলো লাল সবুজ রঙে রাঙানো হয়েছে। এসি চেয়ার কোচ ৩টি, এসি বাথ, লাগেজ ভ্যান ও ১১টি শোভন চেয়ার কোচের বগি এসেছে।
কোচগুলো দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোচগুলো সৈয়দপুরের রেলওয়ে নিজস্ব কারখানায় নেয়া হবে। ২০২৪ সালের মে বাংলাদেশ সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রডগেজ রেলকোচ কেনার জন্য চুক্তি করে ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে। সৈয়দপুর রেলওয়ের কারখানায় নেয়ার পর সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রেলের বহরে যুক্ত হবে।
ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলবগি সরবরাহ করছে বাংলাদেশে। ২০০টি কোচ সংগ্রহ করা হবে কয়েক ধাপে। বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন করে যুক্ত হবে কোচগুলো। পাকশী বিভাগের রেলওয়ে কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচগুলো গ্রহণ করেন। ভারত থেকে এখনও ১৮২টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলবগি দেশে আসবে।
স্থানীয়রা জানান, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। যাত্রী সেবার মান আগের চেয়ে কিছুটা হলেও এখন বাড়বে। পুরাতন যে বগিগুলো আছে সেগুলো মেরামত করে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে হবে। রেলের লোকসান কাটাতে নানামুখী উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ২০০ বগি দেশে আসলে রেলে অনেকটা পরিবর্তন আসবে। আমরা চাই দ্রুত বাকি বগিগুলো দেশে প্রবেশ করুক।
রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম জানান, ভারত থেকে আজকে ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বগিগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরির রয়েছে। যাত্রী সেবার মান বাড়াতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। পশ্চিম অঞ্চলের যাত্রী সেবার মান অনেক বেড়ে যাবে। রেলখাতের আয় বৃদ্ধি পাবে। বগিগুলো মানসম্মত ও উন্নত মানের।