
দুর্গাপূজায় বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ, সন্ধ্যা নামতেই দর্শনার্থীদের ভিড়
উম্মে হানী
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৪

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শুরু হয়েছে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ছবি: সময় সংবাদ
আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুর্গাষষ্ঠী। দেবী দুর্গার মূল প্রতিমায় আজ থেকেই শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামী বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী পর্যন্ত ছয় দিন ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্যে মুখর থাকবে পূজামণ্ডপগুলো।
আজ সকাল ৯টা থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শুরু হয়েছে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। পূর্বাহ্ণ ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা।
ফুল, ফল, পদ্ম, বেলপাতাসহ নানা উপাচারে দেবীর পূজা করা হবে। এরপর ঘট স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া সন্ধ্যায় রয়েছে দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের আনুষ্ঠানিকতা।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, চলতি বছর শনিবার ও রোববার-এই দুই দিন মহাসপ্তমী তিথি থাকায় পরদিন থেকে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। মহাসপ্তমীতে পালন করা হবে নবপত্রিকার আনুষ্ঠানিকতা। এ সময় দেবীর বিভিন্ন রূপের প্রতীক হিসেবে নয়টি উদ্ভিদকে পূজা করা হয়।
সোমবার উদযাপিত হবে মহাষ্টমী। এ দিনের বিশেষ আকর্ষণ সন্ধিপূজা, যা অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন মহানবমীতে পূজার শেষ পর্যায়ের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং দেবীকে প্রসাদ নিবেদন করা হবে। উৎসবের শেষ দিনে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা।
এবার দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আসছেন, আর বিদায় নেবেন নৌকায়। হিন্দু শাস্ত্রমতে, শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারূপে দেবী দুর্গা আজ বাপের বাড়ি মর্ত্যলোকে আসছেন।
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, অসুর শক্তির কাছে পরাভূত হয়ে দেবতারা স্বর্গলোক থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হন দেবতারা। অসুরের বিনাশে এক মহাশক্তির প্রয়োজন অনুভব করেন তারা। এরপর দেবতাদের তেজরশ্মি থেকে আবির্ভূত হন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা।