
কক্সবাজারে ৩২৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, দশমীতে সৈকতে দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন
রিংকু কুণ্ডু, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৫

বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজেছে সিরাজগঞ্জ শহর। ছবি: সময় সংবাদ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে পুরো সিরাজগঞ্জ শহর। সন্ধ্যা নামতেই শহরের প্রতিটি সড়কে জ্বলে উঠছে নানা রঙের বাহারি বাতি। আলোকসজ্জার এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে রাত হলেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন শহরবাসী। পাশাপাশি পূজার এই আয়োজন দেখতে আসছেন পার্শ্ববর্তী জেলার দর্শনার্থীরাও।
দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে মন্দিরে মন্দিরে চলছে সাজসাজ রব। মৃন্ময়ী প্রতিমা থেকে চিন্ময়ী ত্রিনয়নী দেবী দুর্গা সেজে উঠেছেন নতুন রূপে। প্রতিদিন ঢাক-ঢোল ও কাঁসির বাদ্যে ফুল, ফলসহ নানা নৈবেদ্য দিয়ে পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা করবেন ভক্তরা।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহরের প্রতিটি সড়ক সাজানো হয়েছে নানা রঙের বাহারি আলোকবাতিতে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই জ্বলে উঠছে এসব বাতি। এতে পুরো সিরাজগঞ্জ শহর যেন পরিণত হয়েছে উৎসবের নগরীতে। পূজা উপলক্ষে শহরজুড়ে আলোকসজ্জার এই আয়োজন দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।
তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার উৎসবের আমেজ বেড়েছে কয়েক গুণ। অনেকেই রাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন এবং মুঠোফোনে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু বলেন, রাত হলেই দূরদূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন দর্শনার্থীরা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মধ্যরাত পর্যন্ত উৎসবের এই আয়োজন উপভোগ করছেন। পাশ্ববর্তী জেলা থেকেও দর্শনার্থীরা পূজার আয়োজন দেখতে আসছেন। পূজা উপলক্ষে নিজের শহরের বাহারি আলোকসজ্জা দেখে সবাই খুশি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আলোকসজ্জায় আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মণ্ডপে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পূজাকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া পূজার দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে প্রতিটি সড়কে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে ট্রাফিক পুলিশ।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, এ বছর সিরাজগঞ্জে ৫৪২টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।