
ভালোবাসার অশ্রু ও নারী স্বাধীনতা, হাদিসের গল্প থেকে শিক্ষা
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

হজ ভিলেজ নির্মাণকাজ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে।
হজ ও ওমরাহযাত্রীদের সেবার মান বাড়াতে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে ‘হজ ভিলেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির বিনিয়োগ সংস্থা দানান্তারা আগামী ডিসেম্বর থেকে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু করার পরিকল্পনা করেছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের জন্য ৪ দশমিক ৪ হেক্টর জমি কেনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে এক সীমিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন দানান্তারার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রোসান রোসলানি। তিনি দেশটির বিনিয়োগ ও শিল্পায়নমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
রোসান রোসলানি জানান, প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য স্থপতিদের একটি দল ইন্দোনেশিয়া সফর করবে। আগামী ডিসেম্বরেই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অথবা নির্মাণকাজ শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবে প্রকল্পটির উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে আমি অবহিত করেছি। স্থপতিরা একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য ইন্দোনেশিয়ায় আসবেন। আমাদের লক্ষ্য ডিসেম্বরেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অথবা নির্মাণকাজ শুরু করা।’
ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ সংস্থা দানান্তারা তাদের বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান পিটি দানান্তারা ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের (ডিআইএম) মাধ্যমে মক্কার থাখের এলাকায় ৪ দশমিক ৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করেছে। গত ১৮ অক্টোবর জমি কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এর আগে গত ১১ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটি মক্কার নোভোটেল থাখের মক্কা হোটেলের মালিকানা গ্রহণ করে। ১ হাজার ৪৬১টি কক্ষ ও স্যুট নিয়ে পরিচালিত এই হোটেলটি ইতোমধ্যে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
হজ ভিলেজ প্রকল্পের অংশ হিসেবে জমি ও হোটেল অধিগ্রহণের মাধ্যমে মক্কায় ইন্দোনেশিয়ার হজ ও ওমরাহ সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
হজ ভিলেজ নির্মাণকাজ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে। এ কাজে সৌদি আরবের স্থানীয় উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান আল-খোমাসিয়াহর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে দানান্তারা। জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার পাশাপাশি সৌদি আরবে দানান্তারার কার্যক্রম বিস্তারে সহায়তা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
দানান্তারা জানিয়েছে, প্রকল্পের প্রতিটি ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্যতা যাচাই, অনুমোদন ও নির্মাণসংক্রান্ত নথিপত্র প্রস্তুত করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পর পর্যায়ক্রমে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
ইন্দোনেশিয়ার বিপুলসংখ্যক হজ ও ওমরাহযাত্রীর আবাসন ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সৌদি আরবে দেশটির বিনিয়োগ কার্যক্রম সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই হজ ভিলেজ প্রকল্প। সূত্র: আনতারা নিউজ