
মুড়ির মোয়া তৈরির সহজ রেসিপি
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৯

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উপকারী পানীয় হিসেবে পরিচিত হরিতকি ভেজানো পানি। ফাইল ছবি
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে একটি অত্যন্ত উপকারী পানীয় হিসেবে পরিচিত হরিতকি ভেজানো পানি। খালি পেটে নিয়মিত সকালে হরিতিকি ভেজানো বা হরিতকি গুড়া মিশানো পানি শরীরে একাধিক ইতিবাচক পরিবর্তনে কার্যকরী।
আসুন এক নজরে দেখে নিই, খালি পেটে সকালে এক গ্লাস হরিতকি পানি খাওয়ার উপকারিতাগুলো-
১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়: এর হালকা রেচক গুণ রয়েছে যা পেটের মল পরিষ্কার করতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২। ডিটক্সিফিকেশন বা শরীর পরিষ্কার: এটি লিভারকে সাহায্য করে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য দূর করতে।
৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: সকালে খালি পেটে উষ্ণ পানিতে হরিতকি চূর্ণ খেলে ভেতর থেকে শরীর পরিষ্কার হয়, ফলে ব্রণ ও ত্বকের নানা সমস্যা কমে।
৪। মেটাবলিজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া বা ফ্যাট ঝরানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে।
৫। ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৬। অন্যান্য: রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমাতে কিছুটা ভূমিকা রাখে। এছাড়া গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি ভেজানো গরম পানি দিয়ে কুলকুচি বা গার্গল করলে আরাম পাওয়া যায়।
কীভাবে তৈরি ও সেবন করবেন
* এক গ্লাস পানিতে ১-২টি শুকনা হরিতকি বা সামান্য হরিতকি গুঁড়া সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
* পরের দিন সকালে খালি পেটে এই পানি ছেঁকে পান করুন।
* এছাড়া আমলকি ও বহেরার সঙ্গে মিশিয়ে ত্রিফলা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।
কিছু সতর্কতা
* ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা: অতিরিক্ত বা নিয়ম না মেনে খেলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
* গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় বা মায়েরা বুকের দুধ খাওয়ালে কোনো আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরিতকি খাওয়া উচিত নয়।
*ডায়াবেটিসের ওষুধ: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় তাই ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া দরকার।