
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, আলোচনায় সম্মতি পুতিনের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৯

মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ছবি: সংগৃহীত
হুতিদের হামলা সামাল দিতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের পাশে দাঁড়াচ্ছে মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। রিয়াদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়লে তা মেনে না নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।
একদিকে সৌদি আরবের ওপর হুতি হামলার চাপ, অন্যদিকে ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর টানাপোড়েন। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের নিরাপত্তায় পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।
শনিবার তিনি বলেন, ‘রিয়াদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়লে মেনে নেবে না কায়রো। আমি পুরো বিশ্বকে বলতে চাই, আমরা কোনো ভূমিকা পালনের সুযোগ খুঁজছি না। তবে সৌদি আরবের ক্ষতি হোক কিংবা দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়ুক, তা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনায়, আপনাদের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষায় মিশর যেকোনো পদক্ষেপ নেবে।’
মিশরের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমি কারো বিরুদ্ধে লড়াই করা বা কাউকে আক্রমণ করার কথা বলছি না। আমরা কেবল আত্মরক্ষার বিষয়ে কথা বলছি।’
সৌদি আরবকে প্রতিরক্ষায় সহায়তা দিতে রোববার পার্লামেন্টের জরুরি অধিবেশন ডেকেছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট।
এদিকে, ইয়েমেনে হুতিবিরোধী বাহিনীকে সহায়তা দিতে আবারও সক্রিয় হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর কিছু অংশকে অর্থায়ন শুরু করতে সম্মত হয়েছে আবুধাবি। বিনিময়ে ওই বাহিনীকে আকাশপথে সুরক্ষা দিতে রাজি হয়েছে সৌদি আরব। এর আগে জানুয়ারিতে ইয়েমেনের অভিযান থেকে সরে গিয়ে অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল আমিরাত।
অন্যদিকে, হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির দাবি, গেল একদিনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৫৩টি বিমান হামলা চালিয়েছে। একইসঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র দাবি করেছেন, একই সময়ে হুতিদের লক্ষ্য করে ১ হাজার ৪১৭টি হামলা চালানো হয়েছে।
এরমধ্যেই মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কর্মকর্তারা ইয়েমেনে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সহায়তায় হুতিদের সামরিক সক্ষমতা ও ভূখণ্ড দখলের গতি বেড়েছে।