
ক্যানসারসহ ৭ রোগের চিকিৎসায় ১ লাখ টাকা দেবে সরকার, কারা পাবেন?
প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটি
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৩৭

ফের সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছে দুটি সংগঠন। ফাইল ছবি
তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে রাঙ্গামাটির দীঘিনালা-সাজেক সড়ক আবারো অবরোধের ডাক দিয়েছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। একইসঙ্গে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের বুধবারের মধ্যে সাজেক ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমার সই করা এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্যাপন কমিটির অনুরোধ ও দুর্গাপূজার প্রতি সম্মান জানিয়ে ১৬ অক্টোবর থেকে ছয়দিনের জন্য অবরোধ স্থগিত করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তিন দফা দাবি পূরণে প্রশাসনকে সময় দেয়া হয়েছিল।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যরা এখনো সেখানেই অবস্থান করছেন। তাদের সশস্ত্র গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমার নেতৃত্বে সাজেকের মাচলং এলাকার থালকুম্ভো, চিল্ল্যাতুলি কুটির, নোয়াপাড়া, লাম্বাবাক ও ভুয়োছড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাদের দেয়া মৃত্যুর হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শনের কারণে স্থানীয় শতাধিক সাধারণ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। গ্রামবাসীদের ব্যবহৃত মোবাইলফোন কেড়ে নেয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
এলাকার জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা এবং জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে বলে জানানো হয়েছে। সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে বর্তমানে যারা অবস্থান করছেন তাদেরকে আজকের (বুধবার) মধ্যে সাজেক ত্যাগ করার জন্যও অনুরোধ জানানো হয় বিবৃতিতে।
জেএসএস’র সশস্ত্র সদস্যরা সাজেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি, সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এমন অভিযোগে স্থানীয়দের সার্বিক নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষায় সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন নামে দুটি সংগঠন ১১ অক্টোবর থেকে দিঘীনালা-সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবোরোধ কর্মসূচি পালন করে আসছিল। তবে দুই দফায় এই অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেছিল তারা।