
পাবনায় হাটের ইজারা নিয়ে গোলাগুলি, ২ জন নিহত

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। ছবি: সময় সংবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত প্রথম ৩০টি কেন্দ্রের ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা। এর আগে সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৮৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৮২ ভোট।
আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। নির্বাচনে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্য তিন প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।
ভোটগ্রহণের দিন নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তবে কিছু কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
এদিকে, একটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া প্রতীকসহ ভোটারদের স্লিপ দিয়ে নির্বাচনী নীতিমালা অমান্য করায় এক জামায়াত নেতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে ২১ প্লাটুন বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করেন বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ব্যাপারে জানা যায়নি। কোনো ঘটনা কমিশনকে উদ্বিগ্ন করেনি।’
ভোটারদের পরিচয় ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করার পাশাপাশি এজেন্টদেরও বুঝিয়ে সন্তুষ্ট করা হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব। কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘১৬ বছর বয়সীদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং নিবন্ধন করলে তারা একটি কার্ড পান। ওই কার্ড নিয়ে কয়েকজন কেন্দ্রে গেলেও তারা ভোটার না হওয়ায় ভোট দিতে পারেননি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হয়েছে। এর সঙ্গে ভোটগ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই।’