
সব নির্বাচনেই ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ইসি কাজ করছে: সিইসি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৪৭

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের ট্রেনগুলো সুষ্ঠুভাবে চালাতে ৩০টি ইঞ্জিনের প্রয়োজন হলেও বর্তমানে এখানে মাত্র ২১টি আছে। এর মধ্যে ১৬টিই মেয়াদোত্তীর্ণ। ছবি: সময় সংবাদ
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের অধীনে প্রতিদিন ২০ জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। ট্রেনগুলো সুষ্ঠুভাবে চালাতে ৩০টি লোকোমোটিভের (ট্রেন ইঞ্জিন) প্রয়োজন হলেও বর্তমানে এখানে মাত্র ২১টি আছে। এর মধ্যে ১৬টি লোকোমোটিভই মেয়াদোত্তীর্ণ। ফলে তীব্র লোকোমোটিভ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে যাত্রী সেবা।
লালমনিরহাট বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডিএমই (লোকো) দফতর সূত্রে জানা যায়, ১৬টি লোকোমোটিভের মধ্যে চারটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ৫০ বছর আগে, আটটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩৫ বছর আগে এবং বাকি চারটির মধ্যে দুটির মেয়াদ শেষ ৩০ বছর ও অন্য দুটির ২০ বছর আগে। ফলে অতিরিক্ত সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছে চলতি ইঞ্জিনগুলো।
কয়েক দশক আগে মেয়াদ শেষ হলেও লোকোমোটিভের তীব্র সংকটের কারণে প্রতিদিন ১০ জোড়া আন্তঃনগর, আট জোড়া মেইল ও দুই জোড়া লোকাল ট্রেন চলাচল করছে। তবে মেয়াদোত্তীর্ণ লোকোমোটিভে যাত্রীবাহী ট্রেন চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রেন পথিমধ্যে বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং কম গতির কারণে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ফলে শিডিউল বিপর্যয় ঘটছে প্রায় সময়েই।
লোকোমোটিভ সংকটের কারণে ইতোমধ্যে কয়েকটি মেইল ও লোকাল ট্রেন বন্ধ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ লোকোমোটিভ দ্রুত নষ্ট হওয়ায় আরও কয়েকটি ট্রেন বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই অঞ্চলের যাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা থাকবে না।
প্রয়োজন ৩০টি, অথচ তার মধ্যেই ১৬টি ইঞ্জিন মেয়াদোত্তীর্ণ—এমন জরাজীর্ণ লোকোমোটিভের ওপর ভরসা করে আর কতদিন চলবে লালমনিরহাটের ২০ জোড়া ট্রেন? প্রতিদিনের ঝুঁকি ও শিডিউল বিপর্যয় থেকে বাঁচতে দ্রুত নতুন ইঞ্জিনের দাবি লালমনিরহাটবাসীর।
লালমনিরহাট রেলওয়েরে বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডিএমই (লোকো) ধীমান ভৌমিক বলেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়েতে সার্বিকভাবে লোকোমোটিভের সংকট রয়েছে আগামীতে যদি নতুন লোকোমোটিভ আসে এ সংকট আর থাকবে না।’