
নির্বাচনে সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন লজ্জাজনক: সিইসি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪

আগামী ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম নগরীর তিনটি মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বঙ্গোপসাগর উপকূলে নির্মিত পতেঙ্গা-ফৌজদারহাট আউটার রিং রোড, কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড এবং ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নয়টি র্যাম্প উদ্বোধন করবেন তিনি। বন্দরনগরী ঘিরে নির্মিত এ তিনটি প্রকল্প চালু হলে কমবে যানজট ও মানুষের ভোগান্তি। বন্দরের সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি যাতায়াতে সময়ও সাশ্রয় হবে। এতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যানজট নিরসন ও বন্দরের ওপর চাপ কমাতে নগরীর লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ উড়ালসড়ক চালু হলেও ওঠানামার র্যাম্পগুলো চালু না হওয়ায় পুরোপুরি সুফল পাচ্ছেন না নগরবাসী।
তবে আগামী ডিসেম্বরে এক্সপ্রেসওয়েটির নয়টি র্যাম্পই চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আটটির কাজ শেষ হয়েছে। আগ্রাবাদে বাকি র্যাম্পটির নির্মাণকাজ শেষ হবে আগামী নভেম্বরেই।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিমুল বলেন, কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী দিনরাত কাজ চলছে। আগ্রাবাদের র্যাম্পটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। দ্রুতই কাজ শেষ হবে।
সব র্যাম্প একসঙ্গে চালু হলে যানজট কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বন্দর সড়কের ওপর যানবাহনের চাপও কমবে। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নয়টি র্যাম্পের মধ্যে আটটির কাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি একটির কাজ চলছে।
বন্দর ও নগরীর ওপর চাপ কমাতে শহরের পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত আউটার রিং রোড। ১৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে, নগরীর পূর্ব প্রান্তে জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড। প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়ককে ঘিরে তৈরি হয়েছে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা। সড়কটি চালু হলে যাতায়াতে সময় কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও সুবিধা বাড়বে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, আগামী ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। এ সময় তিনি শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চাক্তাই-কালুরঘাট রিং রোড এবং ফৌজদারহাট-পতেঙ্গা রিং রোড উদ্বোধন করবেন। ডিসেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে।
এদিকে, নগরবাসীর সুবিধার জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিদ্যমান নয়টি র্যাম্পের পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।