
বুধবার কী আছে ১২ রাশির ভাগ্যে, জেনে নিন রাশিফলে
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২

নারী স্বাস্থ্যের জন্য গ্রিন টি অধিক কার্যকরী। ছবি: সংগৃহীত
গ্রিন টি শুধু প্রশান্তিদায়ক পানীয় নয়, এর প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য ফাইটোনিউট্রিয়েন্টের পাওয়ার হাউস সবুজ চা সুস্থ জীবনের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে।
বিশেষ করে নারী স্বাস্থ্যের জন্য এই পানীয় অধিক কার্যকরী। একজন নারীর হরমোনের ভারসাম্যহীনতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে গ্রিন টি। নিয়মিত খাওয়া হলে এটি মাসিক চক্রকে নিয়মিত করতেও সাহায্য করে এবং চক্রের সময় অতিরিক্ত ক্র্যাম্প কমায়।
সবুজ চায়ে ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ক্যাটেচিনের উপস্থিতি স্বাস্থ্যকর উপায়ে প্রোজেস্টেরন হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।
এটি পানির মতোই হাইড্রেশন দেয়। এই পানীয় সারাদিন শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি আপনাকে সারাদিন উদ্যমী রাখবে। প্রতিদিন এক কাপ গ্রিন টি ডাক্তারকে দূরে রাখে!
গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, বি, বি৫, ডি, ই, সি, ই, এইচ সেলেনিয়াম, ক্রোমিয়াম, জিংক, ক্যাফেইন ও মেঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান৷ যা শরীরের ওজন ঝরাতে বেশ কার্যকর। মেটাবলিজম বাড়িয়ে ফ্যাট বার্নে সহায়তা করে গ্রিন টি, যা ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রিন টি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। কিডনি রোগের জন্য গ্রিন টি বিশেষভাবে উপকারী। রক্তে কোলেস্টোরেলের মাত্রা কমাতে গ্রিন টি একটি যাদুকরী পানীয়।
গ্রিন টি পানে বিশেষ কিছু সতর্কবার্তা
গ্রিন টির বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে। তবে সেটা সবার ক্ষেত্রে নয়। শরীরের বিশেষ অবস্থায় গ্রিন টি পানে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যারা গর্ভবতী বা শিশুকে দুধ পান করাচ্ছেন, যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতিতে ভুগছেন, উদ্বেগ বা হৃদরোগের ওষুধ গ্রহণ করছেন, তাদের পানীয় হিসেবে গ্রিন টি বেছে না নেয়াই ভালো।
খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও পরিমাণ
ওজন কমাতে দিনে ২ থেকে ৩ কাপ গ্রিন টি পান করা কার্যকর। অতিরিক্ত পান করলে গ্যাসট্রিক বা মাথাব্যথার সমস্যা হতে পারে। চায়ে চিনি, মধু বা কৃত্রিম মিষ্টি মেশাবেন না। এতে ক্যালরি বেড়ে যায়।
খালি পেটে নয়: খালি পেটে গ্রিন টি খেলে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসট্রিক বাড়তে পারে। তাই সকালে নাস্তার ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট পর অথবা শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে গ্রিন টি পান করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।
খাবারের মাঝে বিরতি: প্রধান দুই খাবারের মাঝে (যেমন দুপুর ও বিকেলের দিকে) গ্রিন টি পান করুন। খাবারের ঠিক আগে বা পরে না খাওয়াই ভালো, কারণ এটি শরীরের পুষ্টি উপাদান ও আয়রন শোষণ কমিয়ে দিতে পারে।
তৈরির সঠিক পদ্ধতি
পানি ফুটিয়ে হালকা ঠান্ডা করুন (৮০° সেলসিয়াস বা ১৭৫° ফারেনহাইট)। খুব বেশি ফুটন্ত পানিতে পাতা বেশিক্ষণ রাখবেন না, এতে চা তেতো হয়ে যায় এবং পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। গ্রিন টি-র পাতা বা ব্যাগ পানিতে ২ থেকে ৩ মিনিট ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে বা তুলে নিন।