
দুই মাস পর ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠাচ্ছে নেপাল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:২৫

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ‘চিন্ময় অমৃত মহোৎসব গ্লোবাল সম্মেলনে’ আধ্যাত্মিক গুরু স্বামী চিন্ময়ানন্দের ‘হলোবট’-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
৩৩ বছর আগে মারা গেছেন আধ্যাত্মিক গুরু স্বামী চিন্ময়ানন্দ। কিন্তু প্রযুক্তি ফিরিয়ে আনল তাকে। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ‘চিন্ময় অমৃত মহোৎসব গ্লোবাল সম্মেলনে’ তার সঙ্গে কথাও বললেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নেপথ্য ‘হলোবট’। কিন্তু সেটা কী?
স্বামী চিন্ময়ানন্দের হলোগ্রাফিক অবতার বা ‘হলোবট’ তৈরি করেছে চিন্ময় মিশন। সেই প্রযুক্তির সঙ্গেই কথা হয় মোদির। তিনি বলেন, ‘আপনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল, এ আমার সৌভাগ্য। এখন যে কাজগুলো করতে চাই, তার জন্য আপনার আশীর্বাদ চাইছি।’ জবাবে প্রধানমন্ত্রীকে আশীর্বাদ করে স্বামী চিন্ময়ানন্দের হলোবট। ১৯৯৩ সালে মোদির সঙ্গে সেই সাক্ষাতের ঘটনার কথাও সবিস্তারে ব্যাখ্যা করে প্রযুক্তি।
সেই বছর শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম সংসদের শতবর্ষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার জন্য স্বামী চিন্ময়ানন্দকে আমন্ত্রণ জানাতে গুজরাটের ভদোদরার গিয়েছিলেন মোদি। সেই প্রসঙ্গ টেনে চিন্ময়ানন্দের হলোবটকে বলতে শোনা যায়, ‘সেই সময়ে আমি জানিয়েছিলাম, বয়সের কারণে এত বড় দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য অন্য হিন্দু যুবকদের এগিয়ে আসা উচিত।’
এর পরেই মোদির উদ্দেশে ওই হলোবট বলে ওঠে, ‘১৯৯৩-এ যে ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল, আজ তিনিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী।’ সঙ্গে সতর্কও করে হলোবট বলে, ‘প্রধানমন্ত্রীজি, মনে রাখবেন, শিখরে থাকা মানুষ একা হন।’ শ্রীখণ্ড খাওয়ার পরামর্শও দিতে দেখা যায় চিন্ময়ানন্দের হলোগ্রাফিক অবতারকে। শেষে বলে ওঠে, ‘গোটা ভারত আপনার সঙ্গে রয়েছে নরেন্দ্র।’
এই অভিজ্ঞতার জন্য চিন্ময় মিশনকে ধন্যবাদ জানান মোদি। তার কথায়, ‘হলোবটের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, যেন অতীতে ফিরে গেছি।’
হলোবট হলো হলোগ্রাম প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি কোনো ব্যক্তির ত্রিমাত্রিক অবয়ব। গোটা ব্যাপারটা এমনভাবে তৈরি, দেখলে মনে হয় তিনি যেন সামনেই বসে আছেন। আগে থেকেই ভয়েস রেকর্ড করা থাকে। ভিডিও এবং অঙ্গভঙ্গির সমন্বয়ে অবয়বটিকে কথা বলতে বা নড়াচড়া করতেও দেখা যায়। আর প্রশ্নের উত্তর দেয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে।