
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ৫২ শতাংশ নারী, গর্ভপাতেরও ঝুঁকি
স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৩০

নারীদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার মধ্যে হার্নিয়া এমন একটি সমস্যা, যার লক্ষণ অনেক সময় সহজে বোঝা যায় না। ছবি: সংগৃহীত
নারীদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার মধ্যে হার্নিয়া এমন একটি সমস্যা, যার লক্ষণ অনেক সময় সহজে বোঝা যায় না। পেটব্যথা, কুঁচকিতে অস্বস্তি কিংবা তলপেটে চাপ অনুভব করলেও অনেকে বিষয়টিকে সাধারণ ব্যথা ভেবে এড়িয়ে যান। অথচ কিছু ক্ষেত্রে এসব উপসর্গ হার্নিয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।
তবে হার্নিয়া শুধু নারীদের রোগ নয়, পুরুষদেরও হতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে কুঁচকির হার্নিয়া ছাড়াও উরুর ওপরের অংশে ফেমোরাল হার্নিয়া দেখা যায়, যা কখনো কখনো গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে।
হার্নিয়া কী?
হার্নিয়া হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যখন পেটের দেয়ালের দুর্বল অংশ দিয়ে ভেতরের কোনো টিস্যু বা অন্ত্রের অংশ বাইরে দিকে বেরিয়ে আসে। এতে ত্বকের নিচে ফোলা বা উঁচু অংশ দেখা দিতে পারে। তবে সব হার্নিয়ায় বাইরে থেকে ফোলা বোঝা যায় না।
গর্ভাবস্থা, অতিরিক্ত ওজন, দীর্ঘদিনের কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে বারবার চাপ দেওয়া এবং পেটের পেশি দুর্বল হয়ে পড়া হার্নিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
মেয়েদের হার্নিয়ার ৬টি সাধারণ লক্ষণ
১. তলপেট বা কুঁচকিতে ফোলা
পেটের নিচের অংশ, কুঁচকি কিংবা উরুর ওপরের দিকে ছোট গুটি বা ফোলা দেখা দিতে পারে। দাঁড়ালে, কাশলে বা চাপ দিলে ফোলাটি বেশি স্পষ্ট হতে পারে।
২. তলপেটে ব্যথা বা অস্বস্তি
তলপেটে টান, ভারী ভাব, মৃদু ব্যথা কিংবা কুঁচকিতে চিনচিনে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে হাঁটাচলা বা শারীরিক পরিশ্রমের সময় ব্যথা বাড়তে পারে।
৩. দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালে ব্যথা বাড়া
অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা, সিঁড়ি ওঠা কিংবা ভারী জিনিস তোলার সময় কুঁচকিতে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
৪. উরুর ওপরের দিকে ছোট গুটি
ফেমোরাল হার্নিয়ার ক্ষেত্রে কুঁচকির ঠিক নিচে, উরুর ওপরের দিকে ছোট ফোলা দেখা দিতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের হার্নিয়া বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
৫. কাশি বা হাঁচির সময় অস্বস্তি
কাশি, হাঁচি, মলত্যাগের সময় চাপ দেওয়া কিংবা ভারী জিনিস তোলার সময় ফোলা বা ব্যথা বাড়তে পারে।
৬. শুয়ে পড়লে ফোলা কমে যাওয়া
কিছু হার্নিয়ার ক্ষেত্রে শুয়ে পড়লে ফোলা ছোট হয়ে যেতে পারে বা আর দেখা নাও যেতে পারে। তবে ফোলা না থাকলেই হার্নিয়া নেই, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
তথ্যসূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক