
গভীর খাদে হাতির দুই শাবক, সাড়ে ৪ ঘণ্টার অভিযানে প্রাণে রক্ষা
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৭

শামীম ওসমান। ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জে হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেল (১৭) হত্যা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ৩৪ আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদের এজলাসে সাক্ষ্য দেন নিহত রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান ও প্রত্যক্ষদর্শী দেওভোগ হোসিয়ারী মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ।
সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির বলেন, ‘আদালত ২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। সাক্ষীদের ভাষ্য মতে, শামীম ওসমানই তার দলবল নিয়ে গুলি করে হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেলকে হত্যা করেছে।’
এই হত্যা মামলায় নিহত রাসেলের বাবা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যদন্ড দাবি করেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আদালতে মামলার ৭ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। পলাতক রয়েছেন শামীম ওসমানসহ ২৭ জন আসামি। আদালত ১৪ ডিসেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য্য করেছেন।
এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান দাবি করেন, আদালতে দেয়া সাক্ষ্যতে মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের রাসেল হত্যায় কোন সম্পৃক্ত নেই বলেই প্রতিয়মান হয়েছে। একই সঙ্গে জেরায় বাদী বলেছেন, পুলিশের লেখা এজাহারে তিনি শুধু স্বাক্ষর দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ হোসিয়ারী মার্কেটের সামনে গুলিতে আহত হন হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেল।
২২ জুলাই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান। পরবর্তী সময়ে মামলায় মোট ৩৪ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে শামীম ওসমানও আসামি হিসেবে রয়েছেন।
নিহত রাসেলের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কশব ভোলাগাড়ী গ্রামে। রাসেল নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ মার্কেটে হোসিয়ারী মার্কেটের একটি কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।