
দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া ২১ আগ্নেয়াস্ত্র, ঝুঁকিতে জননিরাপত্তা
সিকদার জাবির হোসেন
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২:৪৮

আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে মা ইলিশ সংরক্ষণে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এ সময় নদী ও সাগরে বন্ধ থাকবে সব ধরনের মাছ শিকার। নিষেধাজ্ঞা শুরু হলে আবারও আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে বিপাকে পড়বেন উপকূলের হাজারো জেলে। ফলে যথাসময়ে সরকারি বরাদ্দের চাল দেওয়ার দাবি জেলেদের।
প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশকে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে প্রতিবছরই দেওয়া হয় নিষেধাজ্ঞা। এবারও ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন বন্ধ থাকবে নদী ও সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকার। এ সময় দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহন ও মজুতকরণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। জেলেদের দাবি, মৌসুমের শুরু থেকে দীর্ঘ সময় ইলিশের তেমন দেখা মেলেনি।
ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবছর মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিন, সমুদ্রে মাছ শিকারে ৫৮ দিন এবং জাটকা সংরক্ষণে ৮ মাসসহ বছরের বড় একটি সময় চলে নিষেধাজ্ঞা ও অভিযান। এতে বেকার হয়ে পড়েন হাজার হাজার জেলে। কিন্তু তবুও কেন বাড়ছে না ইলিশের উৎপাদন, সেই প্রশ্ন জেলেদের।
ইলিশের জীবনচক্রের বড় একটি সময় কাটে সাগরে। প্রজনন মৌসুমে ডিম ছাড়তে সাগর থেকে উপকূলের নদী ও মোহনায় ছুটে আসে মা ইলিশ।
তাই মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। তবে প্রতিবছর একই সময়ে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা কতটা বিজ্ঞানসম্মত, তা নিয়েও ভিন্নমত রয়েছে গবেষকদের।
মৎস্য গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল আলম বলেন, ‘এখন ইলিশের সাইজ খুবই ছোট। আমার মনে হয় আরেকটু দেরিতে ২০ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞা দিলে ভালো হয়। এতে মা ইলিশের প্রচুর ডিম ফুটবে এবং উৎপাদন বাড়বে।’
তবে মা ইলিশ রক্ষায় এবারও ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে প্রস্তুতি নিয়েছে মৎস্য বিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, ‘যেসব অসাধু জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে।’
পটুয়াখালীসহ দেশের ৩৮ জেলার সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারের জন্য ১ হাজার ৬৫৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রতিটি জেলে পরিবার পাবে ২৫ কেজি করে চাল।