
পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাঝে আবার চোটে পড়লেন নাহিদ
খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২৭

বাংলাদেশ টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে আছে। ছবি: বিসিবি
কোনো একটি দল ভালো ক্রিকেট খেলে। তারা কতটুকু ভালো খেলে তা বোঝার জন্য দেখতে হবে আইসিসি র্যাঙ্কিং। যেমন ওই দলটি যদি র্যাঙ্কিংয়ে সবার শীর্ষে থাকে, তার মানে তারা সবচেয়ে ভালো। র্যাঙ্কিংয়ে নিচের দিকে নামা মানেই ভালোর মান কমতে থাকা।
ক্রিকেটে তিন ফরম্যাট, অর্থাৎ টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০ তিন ফরম্যাটেই র্যাঙ্কিং করা হয়। তেমনি তিন ফরম্যাটে প্লেয়ারদেরও র্যাঙ্কিং হয়; ব্যাটারদের ব্যাটিং ক্যাটাগরিতে, বোলাররা বোলিংয়ে ও যারা দুটিই করেন, তাদের অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে।
এই র্যাঙ্কিং কীভাবে হিসাব করা হয়?
প্লেয়ার র্যাঙ্কিং হলো এমন একটি তালিকা, যেখানে একটি পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের র্যাঙ্কিং করা হয়। কিছু নির্দিষ্ট হিসাব-নিকাশের একটি সিরিজের মাধ্যমে একটি জটিল মুভিং এভারেজ তৈরি করে এই পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়। খেলোয়াড়দের ০ থেকে ১০০০ পয়েন্টের স্কেলে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স যদি তার অতীতের রেকর্ডের তুলনায় উন্নত হতে থাকে, তবে পয়েন্ট বাড়ে; আর যদি পারফরম্যান্সের অবনতি ঘটে, তবে পয়েন্ট কমে যায়।
প্রতিটি ম্যাচে একজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের মান একটি অ্যালগরিদমের সাহায্যে হিসাব করা হয়। এটি ম্যাচের বিভিন্ন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি পূর্ব-প্রোগ্রাম করা কিছু হিসাবের সমাহার।
টিম র্যাঙ্কিংয়ে ম্যাচ বা সিরিজের মোট সংখ্যা দিয়ে অর্জিত পয়েন্টকে ভাগ করে রেটিং নির্ধারণ করা হয় এবং ফলাফল নিকটতম পূর্ণ সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়। এটিকে ব্যাটিং গড়ের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, তবে যেখানে মোট রানের পরিবর্তে পয়েন্ট এবং আউট হওয়ার সংখ্যার পরিবর্তে ম্যাচ বা সিরিজের মোট সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।
টেস্ট এবং ওয়ানডে র্যাঙ্কিং তালিকায় সেই দলগুলোকে রাখা হয় যাদের টেস্ট বা ওয়ানডে স্ট্যাটাস রয়েছে এবং যারা খেলা ম্যাচগুলোর জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেছে। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি টিম র্যাঙ্কিংয়ে খেলা ম্যাচগুলোর জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী সকল সদস্য দলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
আইসিসি নির্দিষ্ট সময় পর পর র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদ প্রকাশ করে থাকে। আর বার্ষিক আপডেট প্রতি বছর পহেলা মের কাছাকাছি সময়ে প্রকাশ করা হয়।