
খুদ্দামুল কুরআনের উদ্যোগে সুনামগঞ্জে ৬০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কুরআন বিতরণ
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মন্ডপে মন্ডপে উদ্যাপিত হচ্ছে মহানবমী পূজা। ফাইল ছবি
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ। শারদীয় দুর্গোৎসবের চতুর্থ এ তিথি আনন্দ, ভক্তি এবং দেবীর বিদায়ের সূচনার এক বিশেষ দিন।
শারদীয় দুর্গোৎসবের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মন্ডপে মন্ডপে উদ্যাপিত হচ্ছে মহানবমী পূজা। দেবী দুর্গার ভক্তি, আরাধনায় তাই মেতে উঠেছেন ভক্তরা।
তিথি অনুযায়ী, রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আজ সকাল থেকেই শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। চলে চণ্ডীপাঠ। এরপর পুরোহিতের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় বিহিত পূজা ও হোমযজ্ঞ।
মন্ত্রপাঠ, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে নানা উপাচারে দেবীর আরাধনায় মগ্ন হন ভক্তরা। একটাই প্রার্থনা পৃথিবী থেকে দূর হোক অশুভ শক্তি, সবার জীবনে নেমে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের আলো।
পূজা শেষে দেয়া হয় ভোগারতি। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের সঙ্গে সঙ্গে অঞ্জলি নিবেদন করেন ভক্তরা। এরপর সংগ্রহ করেন চরণামৃত ও যজ্ঞের পবিত্র ছাইয়ের ফোঁটা।
সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, নবমী পূজাই দুর্গাপূজার মূল আচার-অনুষ্ঠানের শেষ দিন। তাই দেবীকে শেষবারের মতো প্রাণভরে দর্শন করতে আজও মন্ডপে মন্ডপে ভিড় থাকবে ভক্তদের।
নবমীর পরদিনই ভক্তদের কাঁদিয়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গা। তাই মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষেই দেবীর বিদায়ী সুরের বিষাদ ছড়িয়ে পড়বে ভক্তদের মাঝে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় চলতি বছরের শারদীয় দুর্গোৎসব। আগমী বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবটি।
দশমীর দিন সকালে বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের পর সিঁদুর খেলা ও মায়ের বরণ অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে ভক্তরা চোখের জলে মা দুর্গাকে বিদায় জানাবেন।