
দুই মাস পর ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠাচ্ছে নেপাল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক বাহিনী চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। ছবি: সংগৃহীত
জনসংখ্যা, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ ও কৌশলগত গুরুত্বের কারণে এশিয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক বাহিনীগুলোর কয়েকটি গড়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ায় শীর্ষে রয়েছে চীন, ভারত ও উত্তর কোরিয়া। এই তিন দেশের প্রত্যেকটির সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা ১০ লাখের বেশি।
প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, চীনের সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা প্রায় ২০ লাখ ৩৫ হাজারের মতো। দেশটির পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) সদস্যসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় সামরিক বাহিনী।
তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। সক্রিয় সদস্যসংখ্যার দিক থেকে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক শক্তিগুলোর একটি।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ ২০ হাজার। দেশটির জনসংখ্যার তুলনায় সামরিক বাহিনীর আকার বেশ বড়। জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলেও সামরিক বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে এশিয়ার শীর্ষ দেশগুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো—
পাকিস্তান ও ইরানের বড় সামরিক বাহিনী দেশ দুটির নিরাপত্তাগত দায়িত্ব এবং ভূরাজনৈতিক চাপের প্রতিফলন।
অন্যদিকে, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়ার সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা প্রায় সমান। কোরীয় উপদ্বীপের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক প্রস্তুতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ভিয়েতনামও জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ হিসেবে বড় সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী অন্যতম বৃহৎ। দেশটির বিস্তৃত দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে এসব অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইন্দোনেশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব।
এশিয়ার দেশগুলোর সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে শুধু সেনাসদস্যের সংখ্যা দিয়ে কোনো দেশের সামগ্রিক সামরিক শক্তি নির্ধারণ করা যায় না।
সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও সরঞ্জাম, প্রতিরক্ষা বাজেট, রিজার্ভ বাহিনী, রসদ সরবরাহ এবং কৌশলগত সক্ষমতাও সামরিক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ফলে এসব পরিসংখ্যানকে দেশগুলোর সক্রিয় সামরিক বাহিনীর আকারের তুলনা হিসেবে দেখা উচিত; সামগ্রিক সামরিক শক্তির চূড়ান্ত র্যাঙ্কিং হিসেবে নয়।