
কলকাতায় পূজামণ্ডপে হুড়াহুড়িতে পদপিষ্ট বহু, মৃত্যুর আশঙ্কা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৯

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ছবি: এনডিটিভি
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত পদযাত্রায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুক্তি পেয়েছেন। আটকের এক দিন পর আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিল্লির একটি আদালত তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিজিৎ দীপকেকে ৫০ হাজার রুপির মুচলেকা দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন না মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর দিল্লির মন্দির মার্গ থানা থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
অভিজিৎ দীপকে ছাড়াও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। তবে শনিবার ভোরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ শীর্ষক এক পদযাত্রার ঠিক আগে নেহা বোরা ও অভিজিৎ দীপকেকে ‘প্রতিরোধমূলক হেফাজতে’ নেয়া হয়। ওই কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের পরিকল্পনা ছিল আন্দোলনকারীদের। তবে পুলিশি বাধা ও শীর্ষ নেতাদের আটক সত্ত্বেও শিক্ষার্থীসহ সাধারণ বিক্ষোভকারীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে জাতীয় পতাকা হাতে পদযাত্রা সম্পন্ন করেন।
দিল্লি পুলিশ আরও জানায়, পুলিশ আইনের অধীন আইনি প্রক্রিয়া শেষে নেহা বোরাকে ছেড়ে দেয়া হলেও অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় নতুন মামলা দায়ের করে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে একটি উড়োজাহাজের ভেতর থেকেও অভিজিৎ দীপকেকে প্রথমবারের মতো আটক করা হয়েছিল। সে সময়ও শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় এক বছরের জন্য ভালো আচরণের মুচলেকায় জামিন পেয়েছিলেন তিনি।
এদিকে, অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে সিজেপির আরও দুই নেতা আশুতোষ রঙ্কা এবং সৌরভ দাস এখনও বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গেছে। গত সপ্তাহে দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।