
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নিহত ৩, আহত ৩৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯

২০২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রান্সিস হেলজেন। ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রান্সিস হেলজেন। সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে নতুন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।
আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে অসামান্য অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সিস হালজেন সম্পূর্ণ নতুন এক ধরনের জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছেন। তার ধারণাটি ছিল দক্ষিণ মেরুর হিমবাহের বরফকে কাজে লাগিয়ে ‘নিউট্রিনো’ নামক রহস্যময় কণাগুলোকে শনাক্ত করা। এর ফলস্বরূপ গড়ে ওঠে ‘আইসককিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’, যা সুদূর মহাকাশ থেকে আসা নিউট্রিনোগুলোকে শনাক্ত ও অনুসরণ করতে সক্ষম।
ফ্রান্সিস হেলজেন বেলজিয়ান-মার্কিন বিজ্ঞানী। তার জন্ম বেলজিয়ামে ১৯৪৪ সালে। তবে পরে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেন। তাকে সাধারণত বেলজিয়ান-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী বলা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসন-এ পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং ‘আইসককিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’-এর প্রধান গবেষক হিসেবে কাজ করছেন।
প্রতি বছরই নোবেল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য বিজয়ীদের নিয়ে জল্পনা থাকে। তবে নোবেল কমিটির বাছাই প্রক্রিয়া গোপন থাকায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কারও নাম জানা যায় না।
গবেষণার গুরুত্বের পাশাপাশি উলফ প্রাইজ, ব্রেকথ্রু প্রাইজসহ বড় বৈজ্ঞানিক পুরস্কার পাওয়া বিজ্ঞানীদেরও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রাখা হয়।
গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিস। বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য এ পুরস্কার পেয়েছিলেন তারা।
এর আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। বিজয়ীরা হলেন– যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ, জার্মানি পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে তাদের আবিষ্কারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।
নোবেল প্রাইসের ওয়েবসাইটে লেখা হয়েছে, মস্তিষ্ক কীভাবে মানুষের অনুভূতি, আচরণ ও শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, তা দীর্ঘকাল ধরে একটি রহস্য হয়ে ছিল। বিংশ শতাব্দীতে গবেষকরা মস্তিষ্কের কোন অংশটি কোন কাজে প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন।
তবে সে সময় যেসব পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল, তা দিয়ে ‘ঠিক কী কারণে কী ঘটে’ সেটি প্রমাণ করা সম্ভব ছিল না। তারা মস্তিষ্কের খসড়া ‘ম্যাপিং’ বা মানচিত্র তৈরি করেছিলেন। এর ফলে অসংখ্য প্রশ্ন ও অজানা বিষয় থেকে যায়। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে।