
২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদের সব ফ্লাইট স্থগিত করলো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২

সৌদি আরবে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এশিয়ার জ্বালানি বাজারে। সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়লে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম, আন্তর্জাতিক জাহাজ ভাড়া ও আমদানি ব্যয়। যার প্রভাব পড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, চীন ও জাপানের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলো পড়তে পারে বাড়তি চাপে।
বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার বড় ধাক্কা আসতে পারে এশিয়ার জ্বালানি বাজারে। বিশেষ করে ভারত, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর অর্থনীতি বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারে। তেলের দাম বাড়লে এসব দেশের জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন ও পরিবহন খরচও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাব এরই মধ্যে বিশ্ববাজারে পড়তে শুরু করেছে। গত ৭ অক্টোবর এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০১ ডলার ছাড়িয়ে যায়। হুতিদের পরবর্তী হামলার পর দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নতুন করে হামলা ও সংঘাত বাড়লে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোহিত সাগর ও সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে সামরিক ঝুঁকি বাড়লে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হতে পারে। এতে জাহাজ ভাড়া ও যুদ্ধঝুঁকির বীমা প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জ্বালানি পরিবহনের ব্যয় বাড়লে আমদানিকারক দেশগুলোর ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হবে।