
গভীর রাতে সেভেনটি এইট রেস্টহাউজে অভিযান, অবৈধ বিদেশি মদ জব্দ
রংপুর ব্যুরো
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৩

মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার চার চোর। ছবি: সময় সংবাদ
বাংলাদেশ পুলিশের এক এসআইয়ের মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় চার পেশাদার চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জি।
গ্রেফতাররা হলেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কয়ারমারী এলাকার ফুলু মিয়ার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৮), পীরগঞ্জের শাহাপাড়া হাজীপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে হুমায়ুন কবীর ওরফে রাব্বী (১৯), বদরগঞ্জের কুতুবপুর বালুয়াপাড়ার আনিসুল হকের ছেলে ওবায়দুল হক (৩৪) এবং একই উপজেলার জামুবাড়ী যাদুনগর এলাকার মুক্তি আলমের ছেলে রমজান আলী (১৯)।
পুলিশ জানায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবনের সিঁড়ির পাশে মোটরসাইকেলটি পার্ক করেন এসআই রিয়াজুল ইসলাম। এরপর আদালতের হাজতখানায় আসামিসংক্রান্ত বিষয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টরের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। কাজ শেষে ফিরে এসে দেখেন মোটরসাইকেলটি আর নেই।
পরে আদালতের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখা যায়, অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন এসআই রিয়াজুল ইসলাম।
মামলার সূত্র ধরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হুমায়ুন কবীর, ওবায়দুল হক ও রমজান আলীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে চক্রের আরেক সদস্য রাহাত মিয়া (২০) এখনও পলাতক।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। পরে বদরগঞ্জের সিও রোড ব্রিজসংলগ্ন মেসার্স মুগ্ধ রিকন্ডিশন বাইক সেন্টার থেকে আরও ছয়টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জি বলেন, ‘গ্রেফতারদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যকে গ্রেফতার এবং অধিকতর তদন্তের জন্য তাদের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে।’