
খুলনায় বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস এলাকায় টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। ছবি: সময় সংবাদ
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেছেন, চলমান ঘটনাকে শ্রমিক আন্দোলন বলা যায় না। একটি ফ্যাসিস্ট শক্তি পুলিশকে লক্ষ্যবস্তু করে আন্দোলনের নামে সহিংসতা চালাচ্ছে। শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে তারা পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস এলাকায় টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেন, বর্তমানে একটি অপশক্তি পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সাধারণ শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে পড়ে না। আন্দোলনের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর হামলা করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।
আন্দোলন চলাকালে বিএনপির নেতাকর্মীদের লাঠি হাতে পুলিশের সঙ্গে থেকে পোশাকশ্রমিকদের প্রতিহত করার বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, একটা সময় পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দেখা যেত। বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের পুলিশের সঙ্গে থেকে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করতে দেখা যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী। রাষ্ট্রের জানমাল রক্ষা করা এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাই পুলিশের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোনো সরকারি দলের নেতাকর্মী বা অন্য কেউ গুন্ডামি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে, পুলিশ সেটিকে কখনোই উৎসাহিত করে না। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে টানা কয়েকদিন শ্রমিকদের আন্দোলনের পর খোলা হয়েছে বেশির ভাগ তৈরি পোশাক কারখানা। কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন কারখানা শ্রমিকরা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা। সকাল থেকে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত বেশিরভাগ কারখানা খুলে দিয়েছে মানিকপক্ষ। এসব কারখানায় শান্তি পূর্ণ পরিবেশে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা ময়মনসিংহ ও ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সহিংস আন্দোলন ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি ১৩ প্লাটুন বিজিবি, ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।