
দুপুর ২টায় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেব: ইশরাক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৫৯

রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪০০ গ্রাম হেরোইন, ১৫২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ২২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফের নির্দেশনা এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে সবুজবাগ, ডেমরা, মতিঝিল ও কোতোয়ালি সার্কেলের চারটি চৌকশ টিম ১৭ ও ১৮ অক্টোবর এই অভিযান চালানো হয়।
এ ঘটনায় ৪টি নিয়মিত মামলা ও ১৬টি মোবাইল কোর্ট মামলা করা হয়েছে।
সবুজবাগে ৪০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার ও গ্রেফতার ২
পরিদর্শক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ১৮ অক্টোবর সবুজবাগ থানাধীন অতিশ দীপংকর রোডের বৌদ্ধ মন্দিরের পশ্চিম পাশ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জগামী একটি বাস তল্লাশি করে মো. জেনারুল ইসলাম (৩৫) ও মো. মনিরুল ইসলাম (৫৫) নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম হেরোইন ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে হেরোইন বিক্রি করে আসছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
যাত্রাবাড়ী ও পল্টনে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ১০
পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে ১৭ অক্টোবর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া কাঠেরপুল এলাকা থেকে মো. শামীম খান ওরফে খোকন (৪৪) ও মো. শাহবুদ্দিনকে (৫৫) ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া একই টিম বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাসের নেতৃত্বে পল্টন থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ গ্রাম গাঁজাসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করে। পরে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেন।
মতিঝিল ও গেন্ডারিয়ায় গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২
পরিদর্শক মুহাম্মদ সাজেদুল আলমের নেতৃত্বে ১৭ অক্টোবর মতিঝিলের ফকিরাপুল ও গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. নাইম (৩২) ও মো. আলী হোসেনকে (৪৮) ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
কোতোয়ালি, বংশাল ও পল্টনে গাঁজাসহ গ্রেফতার ৮
অন্যদিকে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এবং উপপরিদর্শক আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর পরিচালনায় কোতোয়ালি, বংশাল ও পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ গ্রাম গাঁজাসহ আরও ৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর জানায়, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।