
বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৭

বন অধিদফতরে বিভিন্ন পদায়ন, বদলি ও নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক। ছবি সংগৃহীত
বিভাগীয় বন কর্মকর্তার পদায়নে ৫০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন পদায়ন ও বদলিতে ঘুষের হার রীতিমতো নির্ধারিত থাকে বন অধিদফতরে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে এমন তথ্য মিললেও দেড় বছরেও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি সংস্থাটি।
এদিকে, পাখি আমদানির আড়ালে শত শত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে বন বিভাগের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আরও একটি অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
বন অধিদফতরে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুর্নীতি দমন কমিশন একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুদক জানায়, বনাঞ্চলের বিভিন্ন রেঞ্জ, স্টেশন ও বিভাগীয় বন বিভাগে পদায়ন ও বদলির জন্য দর নির্ধারিত থাকে। সেই দর অনুযায়ী বিভিন্ন পদায়ন ও বদলির কাজ সম্পন্ন হতো।
দুদকের প্রতিবেদন বলছে, দুই বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তার পদায়নে ৫০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২০ লাখ টাকা নেয়া হয়।
দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযানের তথ্য অনুযায়ী, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট এই কাজ করছে। এ ঘটনায় দেড় বছর আগে অনুসন্ধান শুরু হলেও এখনও তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, পাখি আমদানির আড়ালে শত শত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে বন বিভাগের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। সংস্থাটি প্রধান বন সংরক্ষকের কার্যালয় এবং বন বিভাগের উপ-বন সংরক্ষক থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট দফতরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম।
এছাড়া, বন অধিদফতরের দেড় হাজার কোটি টাকার 'সুফল' প্রকল্পের অনিয়মের অনুসন্ধানও চলমান বলে জানান তিনি।