
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৪৭

ড. আসিফ নজরুল। ফাইল ছবি
সংবিধানে পরিবর্তনের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন করা যাচ্ছে কি না, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের প্রথিতযশা সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে ড. আসিফ নজরুল বলেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। সবাই মুক্তভাবে মতামত দিয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সংসদের স্থায়ী কমিটিকে ক্ষমতায়িত করা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, আর্টিকেল ৭০ নিয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে এ সভা হচ্ছে, সেটি মনে রাখার কথা বলা হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা যেন মাথায় থাকে, সেই বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ আইন এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন বাদ করা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছি। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, এগুলো একবারে বাদ হয়নি; পরে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ হবে নাকি সংবিধান সংশোধন কমিটি হবে, সেটি রাজনৈতিক বিরোধ, এর মধ্যে যেতে চাচ্ছি না। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সংবিধানে যেকোনো পরিবর্তন ইতিবাচক হলে সেটিই সংস্কার। লক্ষ্য অর্জন করতে পারছি কি না, সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ধরনের বিরোধ কাঙ্ক্ষিত নয়।
এর আগে শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তিদের সঙ্গে ৮টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে অংশীজনদের সঙ্গে সব আলোচনা ও খসড়া তৈরির কাজ শেষ করা হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল উত্থাপনের লক্ষ্য নেয়া হয়েছে।