
লংমার্চ প্রত্যাহার করে সংসদে ফিরুন, বিরোধী দলকে মীর শাহে আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২
মোহাম্মদপুরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ছিনতাইকারী মো. মিঠু মিয়া এবং সিসিটিভি ফুটেজ। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র সামুরাইসহ মো. মিঠু মিয়া (১৯) নামে এক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি রায়েরবাজার ও বুদ্ধিজীবী সড়ক এলাকার একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সরাসরি জড়িত।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুর থানাধীন ১ নম্বর বুদ্ধিজীবী রোডের মিনা হাউজ গলি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মিঠু ভোলার লালমোহন উপজেলার নাজিরপুর চৌরাস্তা মোড় এলাকার বড়বাড়ির কবিরের ছেলে। তিনি বর্তমানে রাজধানীর হাজারীবাগের বউবাজার বালুরমাঠ এলাকায় ভাড়া থাকেন।
এর আগে ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সময় নিউজ। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হলো।
মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্কেল আলী জানান, গেল ১২ অক্টোবর রায়েরবাজার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এবং ১৮ অক্টোবর ভোর পৌনে ৫টায় ১ নম্বর বুদ্ধিজীবী রোডের মিনা গলিতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মিঠুকে একটি সামুরাইসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও দুটো ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারের পর মিঠুর স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায়, কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ছিনতাইয়ের সময় তার সঙ্গে পলাশ, লাল ও তোতা নামের তিন সহযোগী ছিল। ওই ঘটনায় তারা চারজন মিলেই অংশ নেয়। ছিনতাইয়ের সময় মিঠু ও লালের কাছে একটি করে মোট দুটো সামুরাই ছিল।
ওই দিন তারা ৯ হাজার টাকা, একটি বেসিক ফোন ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। ওই দুটো ফোন তারা সানি নামের একজনের কাছে বিক্রি করে বলে পুলিশকে জানিয়েছে মিঠু।
মিঠু আরও জানায়, এর আগে হোসেন সাহেবের গলিতেও তারা চারজন মিলে একটি ছিনতাই করে। সেখান থেকে এক ছেলের কাছ থেকে তারা ৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছিল।
পুলিশ জানায়, এই ছিনতাই চক্রের আরও তিন সদস্যকে এর আগে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন- রায়েরবাজারের মো. রবিউল আলম (২৭), মোহাম্মদপুরের পুলপাড় বটতলার মো. রানা আহমেদ (২৫) এবং কেরানীগঞ্জের আরশিনগরের মো. হাফিজুর রহমান খান মোল্লা (২৫)।
পুলিশের তথ্যমতে, এই চক্রের সদস্যরা পেশাদার অপরাধী। এর মধ্যে হাফিজুরের বিরুদ্ধে ১১টি (ছিনতাই ও মাদক), রবিউলের বিরুদ্ধে ৬টি (ছিনতাই ও মাদক) এবং রানার বিরুদ্ধে দুটো (চুরি ও ছিনতাই) মামলা রয়েছে।
চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।